AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court: ভোটের আগে ফের ‘জেগে উঠল’ ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা, এবার চ্যালেঞ্জ সুপ্রিম কোর্টে

Primary teacher job case: গত বছরের ৩ ডিসেম্বর চাকরি বাতিলের রায় খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। চাকরি বহাল রাখে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের। চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দিতে গিয়ে বিচারপতিরা বলেছিলেন, "যাঁরা ৯ বছর ধরে কাজ করছেন, তাঁদের পরিবারের কথাও ভাবতে হবে। যাঁরা সফল হননি তাঁদের জন্য সব ড্যামেজ করা যায় না।"

Supreme Court: ভোটের আগে ফের 'জেগে উঠল' ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা, এবার চ্যালেঞ্জ সুপ্রিম কোর্টে
ফাইল ফোটো
| Edited By: | Updated on: Feb 25, 2026 | 2:49 PM
Share

নয়াদিল্লি: বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের আলোচনায় প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা। চাকরি বাতিল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে খারিজ করে দিয়েছিল ডিভিশন বেঞ্চ। চাকরি বাঁচে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের। হাইকোর্টের এই রায়কেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। শীর্ষ আদালতে স্পেশাল লিভ পিটিশন ফাইল করলেন তাঁরা।

২০১৪ সালের ‘টেট’-র ভিত্তিতে ২০১৬ সালে প্রাথমিকে প্রায় ৪২৫০০ শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়াতেই বেনিয়মের অভিযোগ ওঠে। আর সেই মামলাতেই ২০২৩ সালের ১২ মে হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন। তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতেও নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ।

সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে। তবে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে নির্দেশ দেয়। এরপর মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট। সেখান থেকে মামলা আসে ফের হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে।

বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর চাকরি বাতিলের রায় খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। চাকরি বহাল রাখে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের। চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দিতে গিয়ে বিচারপতিরা বলেছিলেন, “যাঁরা ৯ বছর ধরে কাজ করছেন, তাঁদের পরিবারের কথাও ভাবতে হবে। যাঁরা সফল হননি তাঁদের জন্য সব ড্যামেজ করা যায় না।”

ডিভিশন বেঞ্চের সেই রায়ের পর আড়াই মাসের বেশি কেটে গিয়েছে। এতদিন পর ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। শীর্ষ আদালতে স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করা হল। ভোটের আগে এই মামলায় নতুন করে এসএলপি দায়ের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। সুপ্রিম কোর্টে এখন কী হয়, সেটাই দেখার।