
কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার দিল্লিতে নির্বাচন সদরে নালিশ করল বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, হারের ভয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতাকে প্রচার থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে অভিযোগ করলেন সুকান্ত মজুমদার। দরবার করেন কিরণ রিজেজুও।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, “একজন সিটিং মুখ্যমন্ত্রী নাকি বলছেন, ভোটের পর যাঁরা বিজেপিকে ভোট দেবেন, তাঁদেরকে বাড়ির বাইরে প্ল্যাকার্ড লাগাতে হবে, আমি বিজেপি করি না। মানে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করা হবে, যাতে সকলে বাড়ির সামনে ডিক্লারেশন দেন, যে সেই ব্যক্তি বিজেপি করেন না, বিজেপি সাপোর্টও করি না। এই ধরনের পরিস্থিতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৈরি করার চেষ্টা করছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “প্রত্যেক ভোটারকে ভয় দেখানো, প্রতিনিয়ত বলা হচ্ছে নির্বাচন কমিশন তো ক’দিনের জন্য… এসবই করা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বুঝে গিয়েছেন হারছেন, বাংলার জনগণ তাঁকে হারাবেন এবার, সেই হারের ভয়ে এই ধরনের কথা বলছেন। ভোটারকে ভয় পাওয়ার চেষ্টা করছেন।” সে কারণেই তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে ৬টি দাবি তুলে ধরেছেন বলে জানান। সুকান্তর কথায়, “ন্যায় সংহিতা অনুসারে তিনি থ্রেট করেছেন, জীবনহানির থ্রেটও দিয়েছেন, তার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছি। তাঁকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছি।”
গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে ভোটের প্রচারে গিয়ে ঠিক কী বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
প্রার্থী রামমোহন রায়ের হাত উঁচু করিয়ে মমতা বলেন, “আমার প্রার্থীকে বলে দিয়ে গিয়েছে, ওকে নাকি গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলছি, এসব করতে যেও না। নির্বাচনের পরে পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না।”
এই নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “এত ভয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।মোদী-অমিত শাহকে নিয়ে এসেও বুঝতে পারবেন, কোনও কাজ হবে না। এবার উপায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যদি নিজেদের হাতের তৈরি কমিশনকে বলে প্রচার আটকানো যায়। বিজেপি হেরেই বসে রয়েছে।”