Supreme Court: প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আপাতত স্বস্তি, তবে সময় বেঁধে দিল শীর্ষ আদালত
Supreme Court on primary teachers: পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১ লক্ষ প্রাথমিক শিক্ষক রয়েছেন, যাঁরা TET পাশ করেননি। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে TET বাধ্যতামূলক হওয়ার আগেই চাকরি পেয়েছেন তাঁরা। সারা দেশে সেই সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, দেশের যে সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষক TET পাশ করেননি, তাঁদের যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় বসতেই হবে। তার জন্য সময় বেঁধে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

কলকাতা ও নয়াদিল্লি: টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট(TET) পাশ করতেই হবে দেশজুড়ে কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের। জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। TET পাশের জন্য আগে সময় ছিল ২০২৭ সালের ৩১ অগস্ট। এদিন সেই সময়সীমা এক বছর বাড়িয়ে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, ২০২৮ সালের ৩১ অগস্টের মধ্যে দেশের সমস্ত কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষককে TET পাশ করতেই হবে।
আগে কী নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট?
পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১ লক্ষ প্রাথমিক শিক্ষক রয়েছেন, যাঁরা TET পাশ করেননি। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে TET বাধ্যতামূলক হওয়ার আগেই চাকরি পেয়েছেন তাঁরা। সারা দেশে সেই সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, দেশের যে সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষক TET পাশ করেননি, তাঁদের যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় বসতেই হবে। তার জন্য সময় বেঁধে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের ৩১ অগস্টের মধ্যে দেশের কর্মরত সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষককে TET পাশ করতেই হবে। পরীক্ষায় না বসলে ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট নিতে হবে। তবে যাঁদের চাকরি থেকে অবসরের আর পাঁচ বছর বাকি রয়েছে, তাঁদের এই পরীক্ষায় বসা থেকে ছাড় দেওয়া হয়।
এখন কী নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত?
সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে একাধিক রিভিউ পিটিশন জমা পড়েছিল। আবেদনকারীদের বক্তব্য, এত বছর ধরে পড়াচ্ছেন তাঁরা। ফলে তাঁদের যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় বসা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। কিন্তু, এদিন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিল, সকলকে নতুন করে যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় বসতেই হবে। ফলে ফের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে সারা দেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের। কিছুটা স্বস্তি দিয়ে শীর্ষ আদালত জানাল, ২০২৮ সালের ৩১ অগস্টের মধ্যে এই পরীক্ষা নিতে হবে। রাজ্যের প্রায় ১ লক্ষ প্রাথমিক শিক্ষককে এই পরীক্ষায় বসতে হবে। গোটা দেশে সেই সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ।
