High Court- IPAC Case: কোর্টরুম ছেড়ে চলে যান বিচারপতি, তারপরই ভাইরাল তৃণমূলের ‘চ্যাট’, উঠছে বড় অভিযোগ
TMC Viral Chat: বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই মামলায় তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আদালত কক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। নির্দিষ্ট সময় উপস্থিত হন বিচারপতি ঘোষও। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হয় যে বিচারপতি ঘর খালি করে দিতে বলেন। কিছুটা সময়ও দেন। তারপরও ঘর খালি না হওয়ায় বিচারপতি উঠে চলে যান।

কলকাতা: আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে তল্লাশির মাঝে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন, তাতে অসন্তুষ্ট ইডি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। পাল্টা অভিযোগ তুলেছে তৃণমূলও। শুক্রবার দুপুরে ওই জোড়া মামলার শুনানির দিকে তাকিয়ে ছিল সব মহল। কিন্তু কোর্টরুমে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে শুনানি করাই সম্ভব হয়নি, উঠে চলে যান বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। এই পুরো ঘটনা তৃণমূলের পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তৃণমূলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাটের স্ক্রিনশট। সেই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি TV9 বাংলা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই মামলায় তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আদালত কক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। নির্দিষ্ট সময় উপস্থিত হন বিচারপতি ঘোষও। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হয় যে বিচারপতি ঘর খালি করে দিতে বলেন। কিছুটা সময়ও দেন। তারপরও ঘর খালি না হওয়ায় বিচারপতি উঠে চলে যান। আগামী ১৪ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। এরপরই শুভেন্দু দাবি করেন, এটা তৃণমূল পরিকল্পনা করে করেছে।
এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে তৃণমূলের লিগাল সেলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাটের স্ক্রিনশট। সেখানে লেখা, ‘কোর্ট নম্বর ৫-এ সবাই চলে আসবেন।’ শুভেন্দুর দাবি, এভাবে সবাইকে ডেকে কোর্টরুম ভর্তি করা হয়েছে। তবে তৃণমূল বলছে, এটা তাদের রীতি, তারা এভাবেই মামলার দিন সব আইনজীবীকে জানিয়ে থাকে।
তৃণমূলের লিগাল সেলের আহ্বায়ক অনীত দাস বলেন, “২০১৯ সাল থেকে এটাই করে আসছি। এভাবেই সবাইকে জানানো হয়। বিজেপি ও সিপিএম আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে।”
