মেঝেতে মিলেছিল রক্তের দাগ, গ্লাভস, ছুরি! R G Kar-এর আট তলার সেই ঘরের CBI-এর সিল ভাঙল কে?
R G Kar: জেপিডি চিকিৎসক নেতা রাজীব পাণ্ডে বলেন, "দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, সিলটা কেউ ভেঙেছে। আমরা আদালতকে এটাই জানাব। ওই ঘরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হোক। ওই ঘরের কোনও তথ্য প্রমাণ যেন বিকৃত না হয়।"

কলকাতা: আরজি করের আট তলার ওটি রুমের সিল খোলা নিয়ে বিতর্ক। তদন্ত চলাকালীন কেন খোলা হয় আট তলার ওটি রুমের সিল? প্রশ্ন তুলে আদালতের পথে আন্দোলনকারীরা। সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ ছিল ওই ঘর। চলতি মাসে ওই ঘরের মেঝেতেই রক্তমাখা গ্লাভস, মাস্ক, ছুরি উদ্ধার হয়। এরপরই সিবিআই ওই ওটি রুমটি সিল করে দেয়। হঠাৎই সেই রুমের সিল ভাঙা!
আরজি কর কাণ্ডে ডিসেম্বরেই একের পর এক ঘটনাক্রম যোগ হচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতেই সিএফএসএলের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। আদৌ ক্রাইম সিন সেমিনার রুম কিনা, সেটা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এরপরই প্রকাশ্যে আসে একটা ভিডিয়ো। আটতলর অর্থোপেডিক ওটি-র উল্টোদিকের ঘর। সেখান থেকে উদ্ধার হয় গ্লাভস, মাস্ক, অপারেশনে ব্যবহৃত ছুরি। মেঝেতে গাঢ় রক্তের মতো লালচে দাগ। নমুনা সংগ্রহ করে সিবিআই। তারপর সেই রুমটি সিলও করে দেওয়া হয়।
সেপ্টেম্বহর মাসে যখন আন্দোলন চলছিল, তখন সেই ঘর খুলে দেখা হয়নি। একদিন সেই ঘর খুলে দেখা যায়, মেঝেতে রক্তের মতো দাগ। প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে কি সেই ঘরই প্লেস অফ অকারেন্স? অভিযোগ উঠছে, আচমকা মঙ্গলবার সেই ঘর খোলার চেষ্টা হয়। সেই ঘরের সিল ভাঙার ছবি প্রকাশ্যে আসছে। আর তা নিয়েই আদালতের দ্বারস্থ আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। জেপিডি চিকিৎসক নেতা রাজীব পাণ্ডে বলেন, “দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, সিলটা কেউ ভেঙেছে। আমরা আদালতকে এটাই জানাব। ওই ঘরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হোক। ওই ঘরের কোনও তথ্য প্রমাণ যেন বিকৃত না হয়।”

