
শ্রাবন্তী সাহা,সুশোভন ভট্টাচার্য, সুপ্রিয় গুহর রিপোর্ট
কলকাতা: তুমুল উত্তেজনা নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে। বিজেপি-তৃণমূলের গণ্ডগোলের জেরে তপ্ত এলাকা। মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী। ফর্ম ৬ নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয় এদিন। ধস্তাধস্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পাল্টা তৃণমূল সমর্থকদের বাইক ফেলে দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশর উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও রয়েছেন। বিজেপির দাবি, নো এন্ট্রি এলাকার মধ্য়ে ঢুকে পড়েছিল তৃণমূল।
ঝামেলা শুরু কোথা থেকে?
তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের দাবি,মাথায় তিলক কাটা লোক পূর্ব মেদিনীপুরের ৪০০ ফর্ম-৬ নিয়ে ভিতরে গিয়েছি। আমরা হাতেনাত ধরেছি। ওকে গ্রেফতার করতে হবে। এরপর ধরনায় বসেন তৃণমূল কর্মীরা। একজন বলেন, “ওই লোকটাকে গ্রেফতার না করলে আমরা এখানেই থাকব।” পরে পুলিশ আসে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার পর সেখানে পৌঁছে যান উত্তর কলকাতার বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও। পুলিশি ব্যারিকেডের দু’পাশে দুই দলের কর্মী সমর্থকরা সেখানে পৌঁছে যান। বিজেপি কর্মীদের দাবি, ওরা বসে গুন্ডামি দেখাচ্ছে। বিজেপির এক কর্মী বলেন,”আমরা শুভেন্দুদার জন্য এসেছিলাম। ওরা ওইখানে বসে বসে গুন্ডামি করছে। আগে চোরদের গ্রেফতার করুক। আমাদের দলের লোকের উপরে অত্যাচার করছে। আমরা পিটব, পিটিয়ে ওদের অবস্থান তুলব।”
এরপর বিকেল গড়াতেই পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পাশে তৃণমূল অন্য পাশে বিজেপি। দু’পক্ষের স্লোগান-সাউটিংয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। এরপর তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা বিজেপির লোকজন একাধিক বাইক ভাঙচুর করেছে বলে দাবি।
এখানে উল্লেখ্য, গতকাল অর্থাৎ সোমবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন ফর্ম-৬ দিয়ে নাম ঢোকাচ্ছে বিজেপি। এই নতুন নাম সব বিহার-উত্তরপ্রদেশের ভোটার। এরপরই কমিশনকে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি জানান অভিষেক।