Debasish Kumar: সাতসকালে তল্লাশি শুরু দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও অফিসে
Income Tax Search: কয়েকশো কোটি টাকার প্রতারণা, জালিয়াতির মামলার তদন্ত করছে ইডি। সেই মামলায় দেবাশিস কুমারকে তলব করেছিল ইডি। তাঁর বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে। জমি দখল করা ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগে, নাম জড়িয়েছিল দেবাশিস কুমারের। আর এবার হাজির আয়কর।

কলকাতা: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পর এবার আয়কর। ফের নজরে তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক দেবাশিস কুমার। আজ, শুক্রবার সকাল থেকে তল্লাশি শুরু হয়েছে দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও অফিসে। মনোহরপুকুর রোডে তাঁর বাড়িতে সকালেই পৌঁছে গিয়েছেন আয়কর দফতরের অফিসাররা। কয়েকদিন আগেই তাঁকে তলব করেছিল ইডি। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের মুখে এজেন্সিকে ব্যবহার করছে বিজেপি।
ফাইলপত্র তুলে নিয়ে যাচ্ছে, অভিযোগ
দেবাশিস কুমারের বাড়ির উল্টোদিকে একটু এগিয়ে ডান দিকের গলিতে দেবাশিস কুমারের মূল নির্বাচনী কার্যালয়। আয়কর দফতরের আধিকারিকরা সেখানে গিয়ে ভিতরে ঢুকে এজেন্টদের ফাইলপত্র তুলে নিচ্ছে বলে অভিযোগ। এই অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা বাইরে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। বাইরে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
কর্মীদের দাবি, শুধু রাসবিহারী কেন্দ্র নয়, ওই কার্যালয়ে বালিগঞ্জ কেন্দ্রেরও নির্বাচনী কাজ চলছে। সেখানেই কোনও নোটিস ছাড়াই আয়কর দফতরের আধিকারিকরা প্রবেশ করেছেন বলে দাবি কর্মীদের। তাঁরা বলছেন, “বিএলএ, এজেন্টদের নাম, তথ্য, ফোন নম্বর সব এই পার্টি অফিসে রাখা আছে। এগুলো নিয়ে বিজেপির হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।” শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় শীঘ্রই ওই অফিসে যাচ্ছেন বলেও দাবি কর্মীদের। এক কর্মী দাবি করেন, ল্যাপটপেও হাত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন অফিসাররা।
কী বলছে তৃণমূল-বিজেপি?
ভোটের আগে এজেন্সিকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি তৃণমূলের। মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদারেরা দাবি, ভোটের আগে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “চোর ধরার জন্য কোনও নির্দিষ্ট সময় থাকে না। চুরি করলে, যা পদক্ষেপ করা উচিৎ, তা করা হচ্ছে। আরও তো অনেক প্রার্থী আছে, তাদের ক্ষেত্রে তো তদন্ত হচ্ছে না।”
কেন ইডি স্ক্যানারে দেবাশিস কুমার
কিছুদিন আগে দক্ষিণ কলকাতার একটি নির্মাণ সংস্থার অফিসে ইডি তল্লাশি চালায়। ওই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ, পুরসভার সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জমি দখল করা হচ্ছে ও নির্মাণ প্রকল্প করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে দেবাশিস কুমারের এলাকাতেও এই ধরনের নির্মাণ হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ আসার পরই তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে তাঁকে ব্যাঙ্কের তথ্য সহ তলব করা হয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে দেবাশিস কুমার বিধায়ক হলেও, দীর্ঘ সময় ওই এলাকার কাউন্সিলর হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।
