TMC: ৬০ বিক্ষুব্ধ বিধায়কের সই নিয়ে বিধানসভায় ঢুকলেন ঋতব্রত! আজই ভেঙে খান খান মমতার তৃণমূল!
TMC Split Speculation: ৬০ জন বিধায়কের সই নিয়ে ঢুকলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রয়েছেন অরূপ রায়, ডোমজুড়, মহেশতলা, কুলপি, কেশপুর, সামসেরগঞ্জ, হরিহরপাড়ার বিধায়ক। রয়েছেন লালগোলার বিধায়ক আব্দুল আজিজ। তিনি এনামুক হকের জামাই। বিধানসভায় ঋতব্রতর সঙ্গে ঢুকলেন শিউলি সাহা, রিয়াজ হুসেইন, ইমানি বিশ্বাস, আক্রুজ্জামান, দিনেন রায়, সাবিনা ইয়াসমিন। রয়েছেন হাওড়া জেলার তিন বিধায়ক। ঢুকলেও অরুণাভ সেন।

কলকাতা: জল্পনা ছিলই। আজই, ভাঙনের পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। মঙ্গলবার থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল, যে হয়তো বুধবারই ভাঙতে চলেছে তৃণমূল। ৬০ জন বিধায়কের সই নিয়ে ঢুকলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে বিরোধী দলনেতার পদের দাবি।
রয়েছেন হাওড়া মধ্যর বিধায়ক অরূপ রায়। ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি। মহেশতলার বিধায়ক শুভাশিস দাস, কুলপির বিধায়ক বর্ণালী ধারা, কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহা, সামসেরগঞ্জের বিধায়ক মহম্মদ নূর আলম, হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ, রয়েছেন লালগোলার বিধায়ক আব্দুল আজিজ। তিনি এনামুক হকের জামাই, ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন, সুতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস, রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আক্রুজ্জামান, খড়্গপুরের বিধায়ক দিনেন রায়, সুজাপুরের বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন, রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়, রথীন ঘোষ, সন্দীপন সাহা, চন্দ্রনাথ সিনহা, পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর জানা।
কেউ সাংবাদিকদের সামনে মুখ খোলেন, কেউ খুলছেন না। যদিও অধিকাংশ বিধায়কই জানাচ্ছেন, তাঁরা নিজেদের কাজে বিধানসভায় এসেছেন। বিরোধী দলনেতা কে হবেন না হবেন, সেটা দলই স্পষ্ট করবে। এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ বিধায়কও তা বলে যাচ্ছেন। কিন্তু দলের ‘লিডার’ কে, সেটা আর স্পষ্ট করছেন না তাঁরা, যা নিয়েই ধোঁয়াশা। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও, বিরোধী দলনেতা কে হবেন, সেই নামটা বলতে গিয়েই ঢোক গিলছেন তাঁরা।
সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, ৬০ জন বিধায়কের সই নিয়ে বিধানসভায় চিঠি জমা করতে চলেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে চিঠি জমা করবেন তাঁরা। আর তাতেই কিছুটা স্পষ্ট হচ্ছে, ভাঙনের পথে তৃণমূল। সেক্ষেত্রে জল্পনার আর কোনও অবকাশ নেই। এমনও হতে পারে, ৬০ জন বিধায়ক যাঁরা সই করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককেই দেখতে চাইতে পারেন স্পিকার। তাই ৬০ জন বিধায়কই একে একে এদিন বিধানসভায় প্রবেশ করছেন।
গত কয়েক দিন ধরেই সইকাণ্ড নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছিল তৃণমূলের অন্দরে। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে কারও নামে সিলমোহর দেননি স্পিকার রথীন্দ্র বসু। তার মধ্যেই বিস্ফোরক দাবি ঋতব্রত, সন্দীপনদের। দল থেকে বহিষ্কৃত হন তাঁরা। এরপর ঋতব্রতকে কেন্দ্র করেই দলের মধ্যে তৈরি হতে থাকে সমান্তরাল অক্ষরেখা। যদিও ঋতব্রতর কথায়, তাঁর কাছে নেত্রী এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।
