AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sealdah Station: ভোগান্তির শেষ নেই! শিয়ালদহে স্টেশনে ক্ষোভের আগুন, চলল ভাঙচুর

Sealdah Station: কাজ চলছে শিয়ালদহ স্টেশনে। সে কারণে গত ৩ দিন ধরে শিয়ালদহে ১ থেকে ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম বন্ধ রাখা হয়েছে। সে কারণেই বেশি কিছু ট্রেন বাতিলের পাশাপাশি বহু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষেপিত করা হয়েছে। অনেক ট্রেনই দমদম পর্যন্ত এসে থমকে যাচ্ছে।

Sealdah Station: ভোগান্তির শেষ নেই! শিয়ালদহে স্টেশনে ক্ষোভের আগুন, চলল ভাঙচুর
শিয়ালদহ স্টেশনে যাত্রী বিক্ষোভ Image Credit: TV-9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 09, 2024 | 12:05 PM
Share

শিয়ালদহ: ভোগান্তি চলছেই। এই নিয়ে টানা ৩ দিন চরম হয়রানি শিয়ালদহ স্টেশনে। এরমধ্যে রবিবার সকালে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন যাত্রীরা। দফায় দফায় হল বিক্ষোভ। স্টেশন চত্বরে চলল ভাঙচুর। সূত্রের খবর, এদিন সকালে মূলত দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও ট্রেনের দেখা না পাওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকে। যাত্রীদের বিক্ষোভের জেরে ভেঙে যায় শিয়ালদহ স্টেশনের অনুসন্ধান কেন্দ্রের বাইরের কাঁচ। অনুসন্ধান কেন্দ্রে কর্মরত কয়েকজন কর্মীও আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে রবিবার ছুটির দিনেও রবিবার সকাল থেকে চূড়ান্ত অব্যবস্থার ছবি দেখা যাচ্ছে শিয়লদহ স্টেশন চত্বরে। 

প্রসঙ্গত, কাজ চলছে শিয়ালদহ স্টেশনে। সে কারণে গত ৩ দিন ধরে শিয়ালদহে ১ থেকে ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম বন্ধ রাখা হয়েছে। সে কারণেই বেশি কিছু ট্রেন বাতিলের পাশাপাশি বহু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষেপিত করা হয়েছে। অনেক ট্রেনই দমদম পর্যন্ত এসে থমকে যাচ্ছে। লোকালের পাশাপাশি একই ছবি একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেনে ক্ষেত্রেও। যদিও রবিবার দুপুর ২টোর পর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার কথা। আগেই সে কথা জানিয়েছে রেল। যদিও তারপরেও রবিবার সকালের ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে স্টেশন চত্বরে। 

যদিও শনিবারের মতো রবিবারও স্টেশনের নানা প্রান্তে সার বেঁধে বসে থাকতে দেখা গেল শয়ে শয়ে যাত্রীকে। সকলের মুখেই চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। দুপুরের পর ফের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কথা থাকলেও কোন ট্রেন কখন ছাড়বে তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা নেই অনেকের কাছেই। এক বৃদ্ধা তো প্ল্যাটফর্মে বসেই বলছেন, “আমি বালুরঘাট থেকে এসেছি। ট্রেন ধরার জন্য এখানে বসে আছি গতকাল রাত থেকে। সঙ্গে আমার অসুস্থ স্বামী রয়েছে। তাঁকে এখন ঠিক করে বাড়ি নিয়ে যেতে পারব কিনা সেটাই ভাবছি। সকালে শুনলাম ট্রেন নাকি তাড়াতাড়িই আসবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তো আমরা কিছুই দেখতে পারছি না।”  

Follow Us