Anandapur fire: আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪ দিন পর ধৃত আরও ২, এবার পুলিশের জালে কারা?
Anandapur fire update: রবিবার রাতে আনন্দপুরের ওই গোডাউনে আগুন লাগে। চারদিন পরও জানা যায়নি, মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে ওই অগ্নিকাণ্ডে। ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

কলকাতা: আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয় ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে। কিন্তু, মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কেন কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। অবশেষে ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করল নরেন্দ্রপুর থানা। গতকাল রাতে নরেন্দ্রপুর এলাকায় থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতরা হলেন ওই মোমো কোম্পানির ম্যানেজার মনোরঞ্জন সিট এবং ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী। ধৃত ২ জনকে আজ (শুক্রবার) বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
অগ্নিকাণ্ডের ২ দিনের মাথায় গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করা হয়। আর কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ করে বিজেপি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, “আসল মধু যাঁরা খেয়েছেন, তাঁদেরও গ্রেফতার করতে হবে।” শুক্রবার আবার কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতিতে আনন্দপুরে মিছিলে অংশগ্রহণ করবেন শুভেন্দু।
আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই এবার ওই মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল পুলিশ। তবে ঘটনার চারদিন পর কেন গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অভিযুক্তদের নরেন্দ্রপুর এলাকা থেকেই ধরা হয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা কোথাও চলে যাননি। তাহলে আগে কেন তাঁদের গ্রেফতার করা হল না, সেই প্রশ্ন উঠছে।
রবিবার রাতে আনন্দপুরের ওই গোডাউনে আগুন লাগে। চারদিন পরও জানা যায়নি, মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে ওই অগ্নিকাণ্ডে। ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। গতকাল শুভেন্দু অভিযোগ করেছিলেন, “এখানে দেহাংশ ফলের প্যাকেটে করে পাচার হয়ে যাচ্ছে।” মৃতের সংখ্যা নিয়ে তাঁর বক্তব্য, “আমাদের ধারণা, ৩৫-৪০ জনের মতো মৃতের সংখ্যা হতে পারে।”
