Khairul Islam TMC: এলাকার আলো নিভিয়ে খাইরুল ইসলামের উপর হামলার অভিযোগ! কাঠগড়ায় ISF
TMC in Bhangar: নিমেষের মধ্য়ে হাতের বাইরে পরিস্থিতি। খবর পেয়ে ছুটে আসে পোলেরহাট থানার পুলিশ। রক্ষীদের ভ্যানের শব্দ শুনেই এলাকাছাড়া হন হামলাকারীরা। সাময়িক ভাবে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

ভাঙড়: খাইরুল ইসলামের উপর ভয়াবহ হামলার অভিযোগ। ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা-সহ আহত হয়েছেন মোট চার জন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হামলার জেরে মাথা ফেটেছে খাইরুলের সঙ্গী সুরাবুদ্দিন মোল্লা, সিরাজুল ইসলাম এবং মতিউর রহমানের। ভাঙা হয়েছে তৃণমূল নেতার গাড়িও। আপাতত জিরানগাছা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রত্যেকে।
কিন্তু এই আচমকা হামলার নেপথ্যে কারা? কোন সংঘাতের শিকার হলেন তৃণমূল নেতা ও তাঁর সঙ্গীরা? দলীর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার নেপথ্যে আইএসএফ-এর হাত রয়েছে বলেই অভিযোগ আহতদের। শনিবার সন্ধ্যায় দলের সাংগঠনিক কাজে পোলেরহাট থানা এলাকার দক্ষিণ গাজিপুরে গিয়েছিলেন খাইরুল ইসলাম ও তাঁর সঙ্গীরা। অভিযোগ, সেই সময়ই এলাকা অন্ধকার করে হামলা চালানো হয় খাইরুলের উপর। নেতার গাড়িতে ইট-পাটকেল ছোড়েন হামলাকারীরা।
নিমেষের মধ্য়ে হাতের বাইরে পরিস্থিতি। খবর পেয়ে ছুটে আসে পোলেরহাট থানার পুলিশ। রক্ষীদের ভ্যানের শব্দ শুনেই এলাকাছাড়া হন হামলাকারীরা। সাময়িক ভাবে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
এদিন এই ঘটনার পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন খাইরুল ইসলাম। আইএসএফ-কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তিনি বলেন, “আক্রমণের কারণ একটাই। যেহেতু পোলেরহাট দায়িত্ব আমি রয়েছি, তাই এখানে ওদের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে।” এই মর্মে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকেও টেনে আনেন খাইরুল। তাঁর দাবি, “আইএসএফ-এর সাংগঠনিক ক্ষমতা কমছে। সেই ভয়েই সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাকে মেরে ফেলতেই এই প্রচেষ্টা।” একই সুর ক্যানিং পূর্বে তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লারও। তিনি বলেন, “এলাকার আলো নিভিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। দাবি একটাই, দোষীদের শাস্তি চাই।”
