AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sudipta Sen gets bail: কখন কোথায় যাচ্ছেন, সব থাকবে নজরে; কোন কোন শর্তে জামিন পেলেন সুদীপ্ত সেন?

Saradha scam: সুদীপ্ত সেনের জামিন নিয়ে আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, "ট্রায়াল শেষ করতে না পারলে কাউকে বেশিদিন আটকে রাখা যায় না। এটা ভারতের সাংবিধানিক আইন। সেই জন্য আমাদের যারা তদন্তকারী সংস্থা তারা ঠিকমতো তদন্ত না করলে, দ্রুত ট্রায়াল না করলে জামিন পাবেই। এর সঙ্গে অন্য কিছুর কোনও সম্পর্ক থাকার কথা নয়। এবং সম্পর্ক নেই।"

Sudipta Sen gets bail: কখন কোথায় যাচ্ছেন, সব থাকবে নজরে; কোন কোন শর্তে জামিন পেলেন সুদীপ্ত সেন?
জামিন পেলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন (ফাইল ফোটো)
| Edited By: | Updated on: Apr 08, 2026 | 6:48 PM
Share

কলকাতা: ১৩ বছর পর জামিনে জেল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি উদয় কুমার এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) জেল থেকে ছাড়া পাবেন তিনি।২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল কাশ্মীরের সোনমার্গ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। ১৩ বছর পর সেই এপ্রিলেই জেলমুক্তি ঘটতে চলেছে। কোন কোন শর্তে ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করল?

সারদা দুর্নীতি মামলায় সুদীপ্ত সেনের বিরুদ্ধে মোট মামলা হয় ৩৮৯টি। ৭৭টি মামলা সিবিআইয়ের কাছে যায়। ৩৮৭টি মামলায় আগেই জামিন পেয়েছেন সারদা কর্তা। রাজ্য পুলিশের হাতে থাকা বাকি এই দুটি মামলায় ১৩ বছর ধরে রাজ্য প্রয়োজনীয় নথি দিতে পারেনি। রাজ্য জানিয়েছে, এই ট্রায়াল করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। কারণ, একটি মামলায় ফাইল হারিয়ে গিয়েছে। তারপরই এই দুটি মামলায় একাধিক শর্তে সুদীপ্ত সেনের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

কী কী শর্তে জামিন পেলেন সুদীপ্ত সেন?

ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, আবেদনকারীকে (সুদীপ্ত সেন) তাঁর পাসপোর্ট জমা দিতে হবে (যদি না তা ইতিমধ্যে অন্য কোনও সংস্থার হেফাজতে থাকে)। এই আদালতের আগাম লিখিত অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে বারাসত থানার ভারপ্রাপ্ত ওসির কাছে তাঁর স্থায়ী বসবাসের ঠিকানা জানাতে হবে। আদালত ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আগাম না জানিয়ে তিনি তাঁর বসবাসের স্থান পরিবর্তন করতে পারবেন না। সুদীপ্ত সেনকে মাসে একবার থানায় হাজিরা দিতে হবে।

এছাড়াও ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কালেক্টিভ ইনভেস্টমেন্ট স্কিম (CIS), অথবা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (MLM) সংস্থার প্রচার, পরিচালনা কিংবা সেগুলির এজেন্ট ও পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করতে পারবেন না। তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জনসাধারণের কাছ থেকে কোনও ধরনের আমানত (ডিপোজিট) সংগ্রহ বা গ্রহণ করতে পারবেন না। আবেদনকারী মামলার তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না। কাউকে প্রভাবিত করতে পারবেন না কিংবা ভয় দেখাতে পারবেন না। এই সব শর্তের যেকোনও লঙ্ঘনের ফলে তাঁর জামিন অবিলম্বে বাতিল করা হবে।

সুদীপ্ত সেনের উপর ২৪ ঘণ্টাই যে ডিজিটাল নজরদারি চালানো হবে, ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে স্পষ্ট। ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, মোবাইল সবসময় ‘লাইভ লোকেশন’-সহ চালু রাখতে হবে। অর্থাৎ সুদীপ্ত সেন কখন, কোথায় যাচ্ছেন, তাঁর মোবাইল লোকেশন দেখেই বুঝতে পারবেন তদন্তকারীরা।

অন্যদিকে, ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, একটি মামলার নথি দ্রুত পুনর্গঠন করতে হবে। ৪ সপ্তাহের মধ্যে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে। নিম্ন আদালতকে প্রতিদিন বিচার প্রক্রিয়া চালানোর চেষ্টা করতে হবে।

ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ নিয়ে সুদীপ্ত সেনের আইনজীবী বলেন, “রাজ্য সরকার ১৩ বছর ধরে ট্রায়াল শুরু করতে পারেনি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে পারেনি। সেটা একটা বড় গ্রাউন্ড।” সুদীপ্ত সেনের জামিন নিয়ে আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “ট্রায়াল শেষ করতে না পারলে কাউকে বেশিদিন আটকে রাখা যায় না। এটা ভারতের সাংবিধানিক আইন। সেই জন্য আমাদের যারা তদন্তকারী সংস্থা তারা ঠিকমতো তদন্ত না করলে, দ্রুত ট্রায়াল না করলে জামিন পাবেই। এর সঙ্গে অন্য কিছুর কোনও সম্পর্ক থাকার কথা নয়। এবং সম্পর্ক নেই।”

Follow Us