CM Mamata Banerjee: ‘কেউ যদি ইভিএম লুঠের চেষ্টা করে তাহলে জীবন-মরণ লড়াই হবে’, প্রায় ৪ ঘণ্টা পর বেরিয়ে হুঙ্কার মমতা
Kolkata strong room Controversy: প্রায় ৪ ঘণ্টা পর বেরোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেরিয়েই বললেন, “অভিযোগ পেয়ে ছুটে এসেছি। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রথমে ঢুকতে দেয়নি।” যদিও ইভিএম কারচুপির অভিযোগ খারিজ নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের সাফ কথা, সমস্ত ইভিএম সুরক্ষিত রয়েছে।

কলকাতা: রেজাল্টের আগে তুঙ্গে স্ট্রংরুম সংঘাত। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি। প্রায় ৪ ঘণ্টা পর বেরোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেরিয়েই বললেন, “স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। মানুষের ভোট যেন সুরক্ষিত থাকে। অভিযোগ পেয়ে ছুটে এসেছি। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রথমে ঢুকতে দেয়নি।” যদিও ইভিএম কারচুপির অভিযোগ খারিজ নির্বাচন কমিশনের। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমের সামনে উত্তেজনা নিয়ে সংবাদিক বৈঠকেও বসেছিলন সিইও মনোজ আগরওয়াল। তাঁর সঙ্গেই ছিলেন ডিইও নর্থ স্মিতা পাণ্ডে। কমিশনের সাফ কথা, সমস্ত ইভিএম সুরক্ষিত রয়েছে।
মমতা যদিও বলছেন, “এটা পুরো এক পাক্ষিক ভোট হচ্ছে। উদ্বেগ ছিল বলেই এসেছি। সিসিটিভি ফুটেজ আসছিল। বেশ কিছু জায়গায় কারচুপি হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছিল। বাইরের লোক এসে ব্যালট এদিক-ওদিক করছে। এই খবর শুনেই আমি ভাবি দেখে আসি একবার। এখানে তো আসার পর কেন্দ্রীয় বাহিনী আমাকে যেতেই দিচ্ছিল না। আমি বলি আমার যাওয়ার অধিকার আছে। শেষে RO-র অনুমতি নিয়ে ভিতরে ঢুকেছি। আমি মনে করি প্রেসের জন্য সিসিটিভি দেখার একটা জায়গা করে দেওয়া উচিত।”
এরপরই কার্যত হুঙ্কারের সুরে বলেন, “কেউ যদি ইভিএম লুঠের চেষ্টা করে তাহলে জীবন-মরণ লড়াই হবে। এটা তো আমার এলাকা। ১ সেকেন্ডে ১০ হাজার লোক এলাকা থেকেই জড়ো হয়ে যেতে পারে। বাইরে থেকে আনার দরকার নেই।” এরপরই ফের একবার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলে, “সিল করেছে বলছে। কিন্তু ও তো ব্যান্ডেজ করে রেখে দিয়েছে। যে কোনও সময় খুলতে পারে।” কিন্তু কারচুপি করতে পারে কারা? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতার সাফ কথা, ‘এর জন্য ইশারাই কাফি হ্যা।’ একইসঙ্গে শেষ দফার ভোট ও গণনার দিনের ফারাক নিয়েও ‘চক্রান্তের’ গন্ধ যে পাচ্ছেন তাও এদিন বলেন ক্ষোভের সঙ্গে।
