Watgunge Body Recovered: কাটা মুণ্ডর কপালে টিপ, বুক ছাড়া পেটের অংশই ‘ক্লু’, ওয়াটগঞ্জে মহিলার বাকি দেহাংশ খুঁজতে মরিয়া পুলিশ
Watgunge Body Recovered: উদ্ধার হওয়া দেহের টুকরো দেখে তদন্তকারীরা মনে করছেন, দেহটি ২-১ দিনেরই পুরনো হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত মহিলার পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। এই মামলার কোনও 'ক্লু' এখনও হাতে আসেনি তদন্তকারীদের। এলাকায় কোনও মহিলা নিখোঁজ রয়েছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

কলকাতা: তিনটে কালো রঙা প্লাস্টিক। একটা প্লাস্টিকে রাখা ছিল ইট ও মুণ্ড। অন্য আরেকটি প্লাস্টিকে বুক ছাড়া পেটের অংশ, অন্য একটি প্লাস্টিকের নীচের অংশ ছিল। মঙ্গলবার ওয়াটগঞ্জের সত্য ডক্টর রোডে একটি পরিত্যক্ত পোড়ো বাড়ি থেকে এক মহিলার দেহের অংশ প্লাস্টিকে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার হয়। সেই মহিলার পরিচয় এখনও জানতে পারেনি ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশ। তবে তদন্তকারীরাই বলছেন, এই ঘটনার ভয়াবহতা মারাত্মক। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ দেখতে পেরেছে, উদ্ধার হওয়া মুণ্ডর কপালে সিঁদুর, টিপ লাগানো ছিল। মহিলার বয়স ৩০-৩৫ বছরের মধ্যেই হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ওই মহিলার পেটের অংশ, পাতার পাতা এখনও পাওয়া যায়নি।
উদ্ধার হওয়া দেহের টুকরো দেখে তদন্তকারীরা মনে করছেন, দেহটি ২-১ দিনেরই পুরনো হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত মহিলার পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। এই মামলার কোনও ‘ক্লু’ এখনও হাতে আসেনি তদন্তকারীদের। এলাকায় কোনও মহিলা নিখোঁজ রয়েছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আশপাশের থানাগুলোতেও খবর দেওয়া হয়েছে।
দেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার হরিকৃষ্ণ পাই। হোমিসাইড শাখা এবং ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছে। তবে এই তদন্তের ক্ষেত্রে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে তদন্তকারীদের। কেননা পোড়ো বাড়ির আশপাশের এলাকায় কোনও সিসি ক্যামেরা নেই। যেখানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে, তার দৃশ্যমানতাও খুব কম। তাই সেভাবে বোঝাই যাচ্ছে না। দেহের বাকি অংশ কোথায়, তারও কোনও খোঁজ মিলছে না। কারণ এখনও পর্যন্ত শহরের আর কোথাও থেকে দেহাংশ উদ্ধারের খবর মেলেনি। এখনও অবধি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপরেই কিছুটা ভরসা রাখছেন তদন্তকারীরা।
