
কলকাতা: সোমবার রাতেই ফ্রিজ হচ্ছে প্রথম দফার ভোটের ভোটার তালিকা। তবে, প্রশ্ন উঠছে, ট্রাইবুন্যালে গিয়ে কি কোনও লাভ হবে? আগামী ১৩ এপ্রিল ফের সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি রয়েছে। এখন দেখার ট্রাইবুন্যালে যে সকল নামের নিষ্পত্তি হবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে আদৌ কোনও নির্দেশ দেয় কি না সর্বোচ্চ আদালত।
আজ ছিল প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। জনপ্রতিনিধি আইন (১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1951) ভারতে সংসদ ও রাজ্য আইনসভার নির্বাচন পরিচালনা, প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা, নির্বাচনী দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং নির্বাচনের বিরোধ নিষ্পত্তির মূল আইনি কাঠামো ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)-কে নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতি ও নিয়মাবলীর উল্লেখ রয়েছে।) ফলত, প্রথম দফায় যে সমস্ত জায়গায় নির্বাচন রয়েছে, সেই সমস্ত জায়গায় ভোটার তালিকাতা ফ্রিজ হয়ে যাচ্ছে রাত বারোটার পরে।
তাই, আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেও যদি ট্রাইবুন্যালের কাজ শুরু হয়ও (যদিও কাজ শুরু হয়নি) তারপরও একটিও নাম যদি যুক্ত হয়, তাও কি তাঁরা ভোট দিতে পারবেন? উঠছে সেই প্রশ্ন। তাই এখন দেখার আগামী শুনানিতে আদালত এই সংক্রান্ত কোনও নির্দেশ দেয় কি না।
এ দিকে, ট্রাইবুন্যালের কাজ তদারকির জন্য আজ একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। প্রাক্তন বিচারপতি বা বিচারকদের দিয়ে একটি কমিটি তৈরি করতে হবে। পুরো পদ্ধতি আগামিকালের মধ্যে প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন। জানায় কোর্ট। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা ট্রাইব্যুনালকে বলব, আবেদনের নিষ্পত্তি করার জন্য। কেন নাম বাদ গিয়েছে সে রেকর্ড খতিয়ে দেখুন। কীভাবে বিষয়টি করা হবে তা তাঁরা ঠিক করবেন। নিষ্পত্তির জন্য যে ব্যক্তির নাম বাদ গিয়েছে তাঁর বক্তব্য শোনা হোক।” এমনকী কোর্ট এও বলেছে, ১৫ এপ্রিলের মধ্যে যে সমস্ত আপিল বা আবেদনের নিষ্পত্তি হবে, তাঁদের নাম সংশোধিত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করতে হবে। প্রথম দফার জন্য আজ রাতই শেষ সময় হলেও, ট্রাইব্যুনালে আপিল করার রাস্তা খোলা থাকছে যাতে যোগ্য কোনো ভোটার তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।