
কলকাতা: আর ঠিক দু’দিন পরেই নতুন সরকারের শপথগ্রহণ। কিন্তু, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা নিয়ে চাপানউতোর কম হয়নি। এখনও ছাড়েননি চেয়ার। এদিকে আজই ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের শেষ দিন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা দেননি। এবার ভারতীয় সংবিধাম মেনে আগের সরকার ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল রবি নারায়ণ রবি। ভারতীয় সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) নম্বর দফার (খ) উপ-দফা অনুযায়ী প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিবৃতি জারি করে সে কথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা।
আগামী দু’দিন রাজ্যের দায়িত্বে রাজ্য়পাল। রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের ফলে ১৭তম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার কার্যকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি পড়লো। নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ১৮তম বিধানসভা গঠনের পথ পুরোদমে প্রশস্ত হল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিকে আগেও পদত্যাগের প্রসঙ্গ উঠতেই রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সাফ বলেছিলেন, “আমরা কিন্তু হারিনি। আমাদের ১০০ সিট লুঠ করা হয়েছে।” সে কারণেই যে তিনি পদত্যাগ করতে নারাজ তাও সোচ্চারে বলেন। তা নিয়ে রাজনৈতিক আঙিনা থেকে সোশ্য়াল মিডিয়ায় চর্চা কম হয়নি।
রবীন্দ্র জয়ন্তীতে ব্রিগেডে হবে নতুন সরকারের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান। জনতাকে সাক্ষী রেখে পথচলা শুরু করবে ডাবল ইঞ্জিন সরকার। শনিবার ব্রিগেডে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। থাকবেন বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলির একাধিক মুখ্যমন্ত্রী। শপথ অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে এসপিজি, কলকাতা পুলিশ। ব্রিগেডের বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।