Nabanna: বসছে মেশিন, এবার বাজার করতে গেলেও মানতে এই নিয়ম! নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন
West Bengal Plastic Bag Ban: যদি বাড়ি থেকে কোনওভাবে বাজারের ব্যাগ আনতে কেউ ভুলে যান, তার জন্য বাজারে বিশেষ ভেন্ডিং মেশিন বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাজারের প্রবেশদ্বারে থাকা এই ভেন্ডিং মেশিন থেকে সহজেই ব্যাগ সংগ্রহ করতে পারবেন। ব্যাগের আকার ও গুণমান অনুযায়ী ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত মূল্য নির্ধারিত হতে পারে।

কলকাতা: থলে হাতে বাজারে যাওয়ার আগে মানতে হবে এই নিয়ম। নবান্নের তরফ থেকে জারি করা হল নির্দেশিকা, বাজারে আর কোনওভাবেই প্লাস্টিকের ব্যাগ নিয়ে যাওয়া যাবে না। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “বাজারে প্লাস্টিকের ব্যাগ নিয়ে যাবেন না। বাজারে ভেন্ডিং মেশিন বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তারও কথাবার্তা চলছে।”
তিনি জানিয়েছেন, যদি বাড়ি থেকে কোনওভাবে বাজারের ব্যাগ আনতে কেউ ভুলে যান, তার জন্য বাজারে বিশেষ ভেন্ডিং মেশিন বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাজারের প্রবেশদ্বারে থাকা এই ভেন্ডিং মেশিন থেকে সহজেই ব্যাগ সংগ্রহ করতে পারবেন। ব্যাগের আকার ও গুণমান অনুযায়ী ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত মূল্য নির্ধারিত হতে পারে। এই ব্যাগগুলির নকশা বা ডিজাইন এমনভাবে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তা পরিবেশের কোনও ক্ষতি না করে। প্লাস্টিকের বদলে সম্পূর্ণ ‘রিসাইকেলযোগ্য’ কটন বা সুতির কাপড়ের মাল্টি-পারপাস ব্যাগ তৈরির চেষ্টা চলছে। এই টেকসই ব্যাগগুলি অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে, যা ক্রেতারা ফেলে না দিয়ে বারবার ব্যবহার করতে পারবেন।
এই প্রকল্পের অন্যতম বিশেষত্ব, ব্যাগের আধুনিক প্রযুক্তি। ব্যাগগুলি এমনভাবে তৈরি করার কথা বলা হয়েছে যাতে ক্রেতারা একই ব্যাগের ভেতরে মাছ বা মাংস নেওয়ার পর, তা ধুয়ে আবার টাটকা সবজিও নিয়ে যেতে পারেন। তবে ব্যাগের ভেতরের স্তর বা ‘ইনার লেয়ার’-এ ঠিক কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া বাকি রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “মাল্টি পারপাস ব্যাগ ডিডাউন করতে বলেছি। ইনার লেয়ারটা কী হবে, সেটা এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।” তাঁর কথায়, এমনভাবে বাজারের ব্যাগ তৈরি করতে বলা হয়েছে, যে ফেলতে মন চাইবে না।
