Health Minister on Puja Holiday: ‘দায়বদ্ধতা না বুঝলে তিনি ডাক্তার নন’, এবার ছুটি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
Sharadwat Mukherjee: পুজোর সময় ডাক্তার পাওয়া যায় না, এই অভিযোগ বিভিন্ন জায়গায় শোনা যায়। আদতে সরকারি হাসপাতালে সরকারি ছুটি না থাকলেও চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মীদের একটা রস্টার তৈরি করা হয়, সেই অনুযায়ী কাজ করেন তাঁরা। মোটামুটিভাবে সেই রস্টার চলে ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত।

কলকাতা: স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে তৎপর সরকার। দফায় দফায় হাসপাতাল পরিদর্শন করে সবদিক নজরে রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তার মধ্যেও পুজোর আবহে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ সামনে এসেছে। পুরুলিয়ার দেবেন মাহাতো হাসপাতালের বেহাল অবস্থা নিয়ে অভিযোগ সামনে আসার পর দেখা গিয়েছে, সেখানকার কয়েকজন পদাধিকারী স্বাস্থ্য দফতরের অনুমোদন ছাড়াই ছুটি নিয়ে নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এবার পুজোর ছুটি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পুজোর সময় ডাক্তার পাওয়া যায় না, এই অভিযোগ বিভিন্ন জায়গায় শোনা যায়। আদতে সরকারি হাসপাতালে সরকারি ছুটি না থাকলেও চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মীদের একটা রস্টার তৈরি করা হয়, সেই অনুযায়ী কাজ করেন তাঁরা। মোটামুটিভাবে সেই রস্টার চলে ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত। ওই কয়েকদিন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ছুটি নেন। সেই ব্যবস্থা যে আর চলবে না, শুক্রবার তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন শারদ্বত।
শুক্রবার রাজ্যের সব হাসপাতালের সুপারদের সঙ্গে বৈঠকের পর শারদ্বত জানিয়েছেন, পরের বছর থেকে পুজোর মাত্র ৪ দিন নিয়েই রস্টার তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ ওই কদিনের মধ্যেই ছুটি নিতে পারবেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
সাংবাদিক বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মী পূজা পর্যন্ত ছুটি নেওয়া বন্ধ হোক। আগামী বছর থেকে শুধু পুজোর চারদিন ছুটি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “১৯৪৭-এর পর থেকে, ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মী পূজা পর্যন্ত একটা ছুটি ছুটি ভাব এবার বন্ধ হল।” তাঁর কথায়, ‘প্রত্যেক চিকিৎসকই নিজেদের দায়বদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন। দায়বদ্ধতা না বুঝলে, তিনি ডাক্তার নন।’
