কলকাতা: অটোর পারমিট দেওয়া নিয়ে ইউনিয়নের দুই গোষ্ঠীর বিবাদের জের। বাঘাযতীন-রানিকুঠি রুটে অটো চলাচল বন্ধ। ইউনিয়নের দুই গোষ্ঠীর ভূমিকায় বচসা ও ধাক্কাধাক্কি। বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীর ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ অটো চালকদের একাংশ। এই সব ঝামেলার জেরে রীতিমতো বন্ধ বাঘাযতীন-রানিকুঠি রুটে অটো। সমস্যায় সাধারণ মানুষজন।
মহম্মদ হামিম মন্ডলের পারফরম্যান্স দেখে খুশি ছিল শাহজাদ ভাট্টি গ্যাং।
দুবাই যাওয়ার অফার এসেছিল হামিমের কাছে, STF এর জেরায় স্বীকার ধৃত জঙ্গির।
ভাট্টি গ্যাংয়ের অন্যতম এক মাথা দুবাই থেকে অপারেট করে বলে জানতে পেরেছে STF। তার থেকেই কি ডাক এসেছিল? তদন্ত চলছে
সূত্রের খবর, হামিমের থেকে পাসপোর্ট মেলেনি, তবে দুবাই যাওয়ার জন্য পাসপোর্টের আবেদন করার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানিয়েছে।
বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি। আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই বিজেপি নেতা।
আরামবাগের গৌরহাটির বাসিন্দা সুজন গড়াই, স্থানীয় বিজেপি নেতা বলে পরিচিত এলাকায়। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।
শনিবার রাতে বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মোটর বাইকে করে।
সেই সময় তাকে লক্ষ্য করে ডোঙ্গল এলাকায় এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা এমনটাই অভিযোগ।
বজবজ-শিয়ালদহ শাখার নুঙ্গি রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
রেলওয়ের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান সরাতে শনিবার রাতে বুলডোজার নিয়ে নামে প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগে মাইকিং করে দোকানদারদের রেলওয়ের জমি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোকান না সরানোয় মহেশতলা থানার পুলিশ ও রেল পুলিশের যৌথ উদ্যোগে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি দোকান ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি।
২০০৭ সালে প্রথম কলকাতা ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। এরপর ২০২৬ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ফিরে এসেছেন তিনি। তসলিমা নাসরিন। গতকাল রবীন্দ্র সদনের এক অনুষ্ঠানে ছিলেন তসলিমা। আজও কলকাতায় রয়েছেন তিনি। আজ নজর থাকবে সেই খবরে।
অন্যদিকে, জঙ্গি যোগের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে হামিম মণ্ডল। এছাড়াও গ্রেফতার তাঁর বান্ধবী অর্পিতা সরকার। কয়েকটি সন্দেহজনক সমাজমাধ্যম হ্যান্ডলের নাম উঠে আসছে। সেগুলি সবই পাকিস্তান থেকে পরিচালিত বলে গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও বেশ কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন ওই জঙ্গির নিশানায় বলে খবর। নজর থাকবে এই ধরনের খবরেও।
কলকাতা: অটোর পারমিট দেওয়া নিয়ে ইউনিয়নের দুই গোষ্ঠীর বিবাদের জের। বাঘাযতীন-রানিকুঠি রুটে অটো চলাচল বন্ধ। ইউনিয়নের দুই গোষ্ঠীর ভূমিকায় বচসা ও ধাক্কাধাক্কি। বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীর ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ অটো চালকদের একাংশ। এই সব ঝামেলার জেরে রীতিমতো বন্ধ বাঘাযতীন-রানিকুঠি রুটে অটো। সমস্যায় সাধারণ মানুষজন।
মহম্মদ হামিম মন্ডলের পারফরম্যান্স দেখে খুশি ছিল শাহজাদ ভাট্টি গ্যাং।
দুবাই যাওয়ার অফার এসেছিল হামিমের কাছে, STF এর জেরায় স্বীকার ধৃত জঙ্গির।
ভাট্টি গ্যাংয়ের অন্যতম এক মাথা দুবাই থেকে অপারেট করে বলে জানতে পেরেছে STF। তার থেকেই কি ডাক এসেছিল? তদন্ত চলছে
সূত্রের খবর, হামিমের থেকে পাসপোর্ট মেলেনি, তবে দুবাই যাওয়ার জন্য পাসপোর্টের আবেদন করার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানিয়েছে।
বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি। আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই বিজেপি নেতা।
আরামবাগের গৌরহাটির বাসিন্দা সুজন গড়াই, স্থানীয় বিজেপি নেতা বলে পরিচিত এলাকায়। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।
শনিবার রাতে বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মোটর বাইকে করে।
সেই সময় তাকে লক্ষ্য করে ডোঙ্গল এলাকায় এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা এমনটাই অভিযোগ।
বজবজ-শিয়ালদহ শাখার নুঙ্গি রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
রেলওয়ের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান সরাতে শনিবার রাতে বুলডোজার নিয়ে নামে প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগে মাইকিং করে দোকানদারদের রেলওয়ের জমি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোকান না সরানোয় মহেশতলা থানার পুলিশ ও রেল পুলিশের যৌথ উদ্যোগে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি দোকান ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি।
২০০৭ সালে প্রথম কলকাতা ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। এরপর ২০২৬ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ফিরে এসেছেন তিনি। তসলিমা নাসরিন। গতকাল রবীন্দ্র সদনের এক অনুষ্ঠানে ছিলেন তসলিমা। আজও কলকাতায় রয়েছেন তিনি। আজ নজর থাকবে সেই খবরে।
অন্যদিকে, জঙ্গি যোগের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে হামিম মণ্ডল। এছাড়াও গ্রেফতার তাঁর বান্ধবী অর্পিতা সরকার। কয়েকটি সন্দেহজনক সমাজমাধ্যম হ্যান্ডলের নাম উঠে আসছে। সেগুলি সবই পাকিস্তান থেকে পরিচালিত বলে গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও বেশ কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন ওই জঙ্গির নিশানায় বলে খবর। নজর থাকবে এই ধরনের খবরেও।