
কলকাতা: ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA) আগেই মিটিয়ে দিয়েছে নবান্ন। এবার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী ও পেনশনভোগীদের ডিএ ও ডিআর নিয়ে তৎপরতা শুরু হল। অর্থ দফতরের নেতৃত্বে বুধবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সেখান থেকেই জানতে পারা যাচ্ছে, ভোটের আগে তড়িঘড়ি বাকিদের ডিএ মেটাতেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নবান্ন সূত্রে খবর, বিভিন্ন দফতরকে দ্রুত কর্মীসংখ্যা ও ডিএ/ডিআর সংক্রান্ত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ও ডিআর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহই মূল লক্ষ্য। সংশ্লিষ্ট এইসব তথ্য হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে অর্থ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।
বুধবার অর্থ দফতরের সচিবের নেতৃত্বে এই বৈঠকে হাজির ছিলেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান বা হিসাব শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং আর্থিক উপদেষ্টাও।
একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা দফতর,জনশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতর,পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর,সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর,পরিবহন দফতর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। সেই বৈঠক থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
মার্চ মাসে তিনটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ডিএ দেওয়ার কাজ শুরু করে অর্থ দফতর। পৃথক-পৃথকভাবে এই বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। গত ২৩ মার্চের প্রকাশি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, দুটি কিস্তি নয়, মার্চে একবারেই রাজ্য সরকার ডিএ-র অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একে একে বকেয়া ডিএ-র টাকা দেওয়াও শুরু হয়। তবে, সেই সময় পঞ্চায়েত,পুরসভা ও সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা বকেয়া ডিএ পাননি। এবার তাঁরাই বকেয়া ডিএ পাবেন বলে জানা যাচ্ছে।