Industrial Policy: বৃহস্পতিতে রাজ্যের শিল্পনীতি ঘোষণার সম্ভাবনা, কী কী থাকতে পারে?
West Bengal New Industrial Policy: রাজ্যের শিল্পনীতি নিয়ে অর্থনীতিবিদ শৈবাল বিশ্বাস বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী প্রক্রিয়া সহজ করার কথা বলেছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একটা সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেমের মধ্য দিয়ে যদি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়, যাঁরা এখানে বিনিয়োগ করবেন, তাঁদের জন্য অনেক সুবিধা। দ্বিতীয় হচ্ছে জমি নীতি। বিনিয়োগকারীরা জমি কীভাবে পাবেন, তা পরিষ্কার থাকতে হবে।"

কলকাতা: পুজোর আগেই রাজ্যের শিল্পনীতি ঘোষণা করা হবে। জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার জানা গেল, আগামী বৃহস্পতিবার শিল্পনীতি ঘোষণা করা হতে পারে। ওইদিন মন্ত্রিসভার বৈঠক রয়েছে। সেখানেই শিল্পনীতিতে সিলমোহর পড়তে পারে। সূত্রের খবর, শিল্পনীতিতে জোর দেওয়া হতে পারে তিন ক্ষেত্রে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, পুজোর আগেই রাজ্যের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করা হবে। তাতে জমি, সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম, পরিবেশের ছাড়পত্র-সহ সবরকম বিষয় থাকবে। তিনি বলেছিলেন, “একশো কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও পৌরসভা, পৌরনিগম, জেলা পরিষদ কিংবা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে যাওয়ার দরকার পড়বে না। সব ল্যান্ড প্রজেক্ট পড়ে ছিল। আরও যা আছে, সব ছেড়ে দেব।”
বদলের বাংলায় ‘লক্ষ্মীলাভের’ আশায় তোড়জোড় রাজ্য সরকারের-
সূত্রের খবর, শিল্পনীতিতে তিন ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হবে। জমি, বিদ্যুৎ ও উৎসাহ ছাড়। হিন্দমোটর , সিঙ্গুর, ডোমজুড়ে জমি দিতে চায় রাজ্য। ওই এলাকাগুলির রাস্তা মেরামতের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। পরিকাঠামোর উন্নতির চেষ্টা হচ্ছে। সূত্রের খবর, শিল্পনীতিতে রাজ্যে আধুনিক মানের বিজ্ঞান ইউনিভার্সিটি, জেমস জুয়েলারি হাব, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
রাজ্যের শিল্পনীতি নিয়ে অর্থনীতিবিদ শৈবাল বিশ্বাস বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী প্রক্রিয়া সহজ করার কথা বলেছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একটা সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেমের মধ্য দিয়ে যদি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়, যাঁরা এখানে বিনিয়োগ করবেন, তাঁদের জন্য অনেক সুবিধা। দ্বিতীয় হচ্ছে জমি নীতি। বিনিয়োগকারীরা জমি কীভাবে পাবেন, তা পরিষ্কার থাকতে হবে। কারণ, বাণিজ্য করতে যাঁরা আসবেন, তাঁরা জমি সংগ্রহ করবেন, এটা খুব দুষ্কর ব্যাপার। সরকারকে জমির জন্য সাহায্য করতে হবে। এবং বিদ্যুৎ, জল-সহ অন্যান্য যে সুবিধাগুলো রয়েছে, সেগুলো ভালো দামে পাইয়ে দিতে হবে। এই তিনটে জিনিস করা গেলে, বাণিজ্য আসতে বাধ্য। এখানে লাভের অনেক সুযোগ রয়েছে। আর এই রাজ্যে দক্ষ শ্রমিক রয়েইছে। ফলে সংস্থাগুলি পেয়ে যাবে।”
