Foot care tips: পায়ের গোড়ালি ফেটে চৌচির? ভুলেও লেবু ঘষবেন না! বরং এটা করে ফেলুন
Cracked heels: সারাদিনের ব্যস্ততায় পায়ের যত্নের কথা অনেকেই ভুলে যান, আর সেখান থেকেই শুরু হয় পা ফাটার সমস্যা। পার্লারে না গিয়ে ঘরে থাকা সাধারণ কিছু উপাদানেই কীভাবে নরম ও মোলায়েম পা পাবেন, তা জেনে নিন। কীভাবে যত্ন নেবেন?

পায়ের গোড়ালি (Cracked Heels) ফাটার সমস্যা নতুন কোনও বিষয় নয়। সারাদিন কাজের পর মুখের যত্ন নেওয়া হলেও, পায়ের কথা অনেকেই ভুলে যান। আর তখনই পায়ের গোড়ালি জানান দেয় তার উপস্থিতি। খসখসে ভাব, চামড়া ওঠা থেকে শুরু করে কখনও কখনও রক্তপাত, পা ফাটার কষ্ট ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। মূলত ত্বকে আর্দ্রতা কমে যাওয়া, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করা বা ধুলোবালির কারণেই এই সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পার্লারে ছোটেন। অনেকের সারা বছরই পা ফাটে। কিন্তু ঘরে বসেই খুব সহজে এর সমাধান করা সম্ভব।
কী কী করবেন?
গরম জলের ম্যাজিক গোড়ালির শক্ত চামড়া নরম করতে প্রথমেই জলের সাহায্য নিন। একটি পাত্রে ঈষদুষ্ণ বা হালকা গরম জল নিয়ে তাতে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। জল থেকে পা তুলে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিতে হবে। পরিষ্কার করার সময় পিউমিস স্টোন বা স্ক্রাবার ব্যবহার করতে পারেন, তবে খুব সাবধানে। জোরে ঘষলে চামড়া ছড়ে গিয়ে হিতে বিপরীত হতে পারে।
আর্দ্রতা ধরে রাখা ভীষণ জরুরি পা ধোয়ার পর ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা সবচেয়ে বড় কাজ। এর জন্য পায়ের পাতায় একটু পুরু করে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে এই কাজটি করলে সবচেয়ে ভালো ফল মেলে। ক্রিম মাখার পর পায়ে সুতির মোজা পরে ঘুমালে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং খুব তাড়াতাড়ি পা নরম হয়।
লেবু বা নুন ব্যবহারে সাবধান পা ফাটা সারাতে অনেকেই ঘরোয়া টোটকা হিসেবে লেবুর খোসা বা নুন ঘষতে শুরু করেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, চামড়া ফেটে ক্ষত তৈরি হলে সেখানে লেবুর মতো অ্যাসিডিক জিনিস লাগালে মারাত্মক জ্বালা বা অ্যালার্জি হতে পারে। তাই ফাটা চামড়ার ওপর এসব সরাসরি লাগানো একেবারেই ঠিক নয়। বোরিক পাউডারের মতো রাসায়নিকও না জেনে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
সঠিক ক্রিম ও জুতোর ব্যবহার ঘরোয়া উপাদানের সঙ্গে সঙ্গে বৈজ্ঞানিক উপায়ে তৈরি ফুট ক্রিমও দারুণ কাজ করে। চিকিৎসকদের মতে, ১০ থেকে ২৫ শতাংশ ইউরিয়া (Urea) যুক্ত ফুট ক্রিম ফাটা চামড়া নরম করতে খুব ভালো কাজ দেয়। স্নানের পর নিয়মিত এই ক্রিম লাগাতে পারেন।
পাশাপাশি, সারা দিন ঢাকা বা আরামদায়ক জুতো পরার চেষ্টা করুন। খোলা চটি পরলে ধুলোবালি বেশি লাগে, যা পা ফাটার অন্যতম কারণ। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করলেও পায়ের ওপর যেন অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। নিয়মিত একটু যত্ন আর সঠিক জুতো, ব্যস, এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললেই পায়ের ফাটা দাগ চিরতরে দূর হয়ে যাবে।
