ফুল মেকআপ’ বনাম ‘নো মেকআপ’—দুটোর কোনটা কর্মক্ষেত্রে বেশি গ্রহণযোগ্য?
খুবই ন্যূনতম মেকআপ লুক এখন অনেকের কাছে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে। অনেকের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, যদি কেউ অফিসে সবসময় মেকআপ ছাড়া থাকে, তাহলে সহকর্মীরা সেটাকেই তার স্বাভাবিক লুক হিসাবে ধরে নেয় এবং তাতে কর্মক্ষেত্রে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না।

অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে মেক আপ লুক না না মেক আপ লুক কোনটা অফিসের জন্য পারফেক্ট! যদিও এই নিয়ে মতভেদ রয়েছে।কেউ ভালোবাসেন নিজেকে মেক আপ করে দেখতে আবার কেউ নো মেকআপ লুকেই নিজেকে পারফেক্ট মনে করেন।কর্মক্ষেত্রের ওপর নির্ভর করে মেক আপের প্রয়োজনীয়তা।
ইন হার সাইট নামক ওয়েবসাইটের সার্ভে অনুযায়ী কয়েক বছর আগেও ফুল মেক আপ করে অফিস যাওয়ার চল ছিল।তবে সময়ের সাথে সাথে বদলাচ্ছে ট্রেন্ড। এখন অনেকেই মেকআপ না করে অফিস যাওয়ায় বিশ্বাসী। খুবই ন্যূনতম মেকআপ লুক এখন অনেকের কাছে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে। অনেকের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, যদি কেউ অফিসে সবসময় মেকআপ ছাড়া থাকে, তাহলে সহকর্মীরা সেটাকেই তার স্বাভাবিক লুক হিসাবে ধরে নেয় এবং তাতে কর্মক্ষেত্রে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। আবার কারোর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী হালকা মেকআপ করলে সহকর্মীদের কাছে নিজেকে সুস্থ ও সতেজ লাগে।
বিশেষজ্ঞদের মতে আধুনিক অফিস সংস্কৃতিতে এখন কাজটাই বেশী গুরুত্বপূর্ণ। কেউ হালকা ন্যাচারাল মেকআপে আত্মবিশ্বাসী আবার কেউ কেউ একেবারেই মেকআপ ছাড়া থাকাতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
ভাবছেন তাহলে ফুল মেকআপ কি ভুল? একেবারেই না। গবেষণায় দেখা গেছে মেকআপ বহু মানুষকে আত্মবিশ্বাসী বানায়। হালকা মেকআপে সমস্যা নেই একেবারেই। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই, যখন মেকআপ খুব বেশি হয়ে যায়। তখন অনেক সময় কাজের বদলে চেহারাই আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। অপরদিকে , নো মেকআপ লুক অনেক অফিসে এখন স্বাভাবিক বলেই ধরা হয়—বিশেষ করে যেখানে কাজের পরিবেশ আধুনিক ও ফ্লেক্সিবল সেখানে একেবারেই সমস্যা হয়না। আসল গ্রহণযোগ্যতা কোথায়? বিশেষজ্ঞদের মতে, অফিসে গ্রহণযোগ্যতার মূল চাবিকাঠি মেকআপ নয়। বরং আপনি কতটা আত্মবিশ্বাসী, কাজ কতটা দক্ষতার সঙ্গে করছেন, সহকর্মীদের সঙ্গে ব্যবহার কেমন এই বিষয়গুলোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।আপনি যদি নো মেকআপে স্বচ্ছন্দ থাকেন, সেটাই আপনার শক্তি। আর যদি হালকা মেকআপে নিজেকে আরও আত্মবিশ্বাসী মনে হয়, সেটাও ঠিক।
