২০২৬ সালে চাকরি খুঁজছেন? জানুন কোন পাঁচটা স্কিল সবার থাকা উচিত!
Adaptability ও Learning Agility চাকরির বাজারের পরিবর্তন দ্রুত হচ্ছে। নতুন টুল, প্রযুক্তি বা কাজ শিখতে পারা বিশেষ ভাবে জরুরি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আপগ্রেড করতে হবে Emotional Intelligence AI উন্নত হলেও, মানুষের সহানুভূতি, অনুভূতি বোঝা বা বিবেচনা যন্ত্রের পক্ষে করা কঠিন। তাই EQ বা Emotional Intelligence চাকরির ক্ষেত্রে মানুষের অবস্থান শক্ত করে। এই কয়েকটা বিষয়ে পারদর্শী হলে চাকরি জগতে সমস্যার সম্মুখীন কম হবেন।

২০২৬ সালের চাকরির বাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। AI, automation ও ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রসারের যুগে tradicionales degree-এর বদলে কর্মক্ষমতা ও দক্ষতার ভিত্তিতেই চাকরি মিলছে। লিঙ্কডিনের মতো জনপ্রিয় কয়েকটি চাকরির ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন চাকরির ক্ষেত্রেও “skill-based hiring” বা দক্ষতা ভিত্তিক নিয়োগের চাহিদা বাড়ছে, যেখানে শুধু ডিগ্রি থাকলেই হবে না, সঙ্গে থাকতে হবে স্কিল বিষয়ক কাজের অভিজ্ঞতাও।
India Skills Report 2026 অনুযায়ী, ভারতের employability হার ২০২৬-এ ৫৬.৩৫% পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত AI, ডিজিটাল দক্ষতা ও global workforce mobility-র কারণে এই উন্নতি হয়েছে।
কী কী স্কিল থাকা গুরুত্বপূর্ণ?
AI Literacy ও Digital Skills বেশি বিশদে না জানলেও AI tools বুঝতে ও ব্যবহার করতে পারা এখন প্রায় সকল ক্ষেত্রেই জরুরি। জনপ্রিয় চাকরির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী AI literacy-র চাহিদা গত বছর ১৭৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।
Critical Thinking ও Problem Solving যে কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে এই স্কিল থাকা বিশেষ ভাবে জরুরি। টেকনোলজি উন্নত হলেও এই স্কিল না থাকলে আধুনিক চাকরির ক্ষেত্রে সমস্যা হবে।
Communication ও Collaboration যদিও টুলস কাজে সহায়তা করে, তবে এই স্কিল থাকা বেশিরভাগ কাজের ক্ষেত্রেই ভীষণ ভাবে জরুরি।
Adaptability ও Learning Agility চাকরির বাজারের পরিবর্তন দ্রুত হচ্ছে। নতুন টুল, প্রযুক্তি বা কাজ শিখতে পারা বিশেষ ভাবে জরুরি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আপগ্রেড করতে হবে
Emotional Intelligence AI উন্নত হলেও, মানুষের সহানুভূতি, অনুভূতি বোঝা বা বিবেচনা যন্ত্রের পক্ষে করা কঠিন। তাই EQ বা Emotional Intelligence চাকরির ক্ষেত্রে মানুষের অবস্থান শক্ত করে। এই কয়েকটা বিষয়ে পারদর্শী হলে চাকরি জগতে সমস্যার সম্মুখীন কম হবেন।
