মহিলাদের মধ্যে কি সন্তান লাভের চাহিদা কমছে? গবেষণায় এল চমকে দেওয়ার মতো তথ্য
সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় এসেছে চমকে দেওয়ার মতো এক তথ্য। সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্য়ান বলছে বর্তমান মহিলাদের মধ্য়ে মা হওয়ার সম্ভাবনা কমছে। কিন্তু কেন মা হওয়ার ইচ্ছায় ভাটা পড়ছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে জানতে হবে বেশ কিছু কারণ। এক সময় সন্তান জন্ম দেওয়াকে অবধারিত সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করতেন অনেকেই । বিয়ের পর অনেককেই শুনতে হয় “কবে সুখবর দেবে?”— আগে এই প্রশ্নটা ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু আজকের প্রজন্মের মহিলারা সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে চান নিজেদের শর্তে। কিন্তু কেন জানেন?

বেশ কয়েকটা বছর পিছিয়ে ভাবুন তো! বেশির ভাগ মহিলাদের বিয়ের পরই শোনা যেত মা হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। তবে বর্তমান মহিলাদের মধ্য়ে কি সেই চাহিদা কমছে? সন্তান ছাড়া শুধু দুজনে থাকতে চাইছেন আধুনিক দম্পতিরা?
সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় এসেছে চমকে দেওয়ার মতো এক তথ্য। সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্য়ান বলছে বর্তমান মহিলাদের মধ্য়ে মা হওয়ার সম্ভাবনা কমছে। কিন্তু কেন মা হওয়ার ইচ্ছায় ভাটা পড়ছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে জানতে হবে বেশ কিছু কারণ। এক সময় সন্তান জন্ম দেওয়াকে অবধারিত সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করতেন অনেকেই । বিয়ের পর অনেককেই শুনতে হয় “কবে সুখবর দেবে?”— আগে এই প্রশ্নটা ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু আজকের প্রজন্মের মহিলারা সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে চান নিজেদের শর্তে। কিন্তু কেন জানেন?
আমেরিকার Centers for Disease Control and Prevention (CDC) পরিসংখ্যান অনুযায়ী,আগে ২০-২১ বছর বয়সী মহিলাদের মা হওয়ার হার ছিল বেশি। বর্তমানে ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলারা চাইছেন মা হতে। CDC-র রিপোর্টে পাওয়া যায় ১৯৯০ সাল থেকে কমবয়সী মেয়েদের মধ্যে মা হওয়ার প্রবণতা কমছে। জানা যাচ্ছে আমেরিকায় ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে জন্মের হার কমে গিয়েছে ১৪ শতাংশ । বেশিরভাগ মহিলার কম বয়সে মা হওয়ার ইচ্ছা কমছে বলেই জন্মের হার কমছে বলে মনে করছেন কিছু বিশেষজ্ঞরা।
ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (SRS)এর রিপোর্ট অনুযায়ী সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। ১৯৭১ সালে মোট জনসংখ্যার ৪১.২ শতাংশ ছিল ০-১৪ বছর বয়সিরা। ১৯৮১ সালে ২০ বছরের মধ্যে সেটি কমে হয় ৩৮.১ শতাংশ। ১৯৯১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ৩৬.৩ শতাংশ থেকে আরও কমে ২৪.২ শতাংশ হয়েছে । সমীক্ষা অনুযায়ী ভারতের অবস্থান প্রজননের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য।
আবার অনেকে মাতৃত্বকালীন ছুটির ভয়ে পিছিয়ে যাচ্ছেন। পাচ্ছেন চাকরি হারানোর ভয়ও। আবার দায়িত্ব নিতে ভয় পাচ্ছেন অনেকেই। আগে একান্নবর্তী পরিবার হওয়ার জন্য় বাচ্চার দায়িত্ব ভাগ করে নিতেন পরিবারের সকলে। এখন অধিকাংশ দম্পতি আলাদা থাকার জন্য় বাচ্চা নিতে ভয় পাচ্ছেন। তাঁদের ভাবনা বাচ্চা সামলাবে কে ? পরিসংখ্য়ান বলছে আধুনিক মহিলাদের এরূপ সিদ্ধান্তে সারা পৃথিবীতে জন্মহার কমছে। তবে এখনও সন্তানজন্ম না দেওয়াকে অপরাধ মনে করে বহু পরিবার। তবে আজকের মহিলা নিজের জীবনের গল্প নিজেই লিখতে চান, সে গল্পে মাতৃত্ব থাকুক বা না থাকুক।
