AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ন্যাড়াপোড়ার দিন ভুলেও এই ৩ শ্রেণির মানুষ আগুনের সামনে যাবেন না!

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ন্যাড়াপোড়ার আগুন দেখা বা আগুনের খুব কাছে যাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এর পেছনে যেমন ধর্মীয় যুক্তি আছে, তেমনই আছে আধুনিক বিজ্ঞান। আগুনের তীব্র তেজ এবং খড় পোড়া ঘন ধোঁয়া হবু মায়ের শ্বাসকষ্ট তৈরি করতে পারে, যা গর্ভস্থ সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

ন্যাড়াপোড়ার দিন ভুলেও এই ৩ শ্রেণির মানুষ আগুনের সামনে যাবেন না!
Image Credit: AI
| Updated on: Mar 01, 2026 | 3:01 PM
Share

“আজ আমাদের ন্যাড়াপোড়া, কাল আমাদের দোল…”— ছোটবেলার সেই চেনা ছড়া আর পাড়ার মোড়ে মোড়ে খড়ের গাদায় আগুন ধরানো যুগ যুগ ধরে এই রীতি চলে আসছে। বাঙালির কাছে দোল পূর্ণিমার আগের এই রাতটি আসলে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে মন শুদ্ধ করার রাত। শাস্ত্র মতে, এই আগুনের ছাই বা ধোঁয়া গায়ে লাগা আশীর্বাদ স্বরূপ। কিন্তু জানেন কি মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে। দোল উৎসবের আগে জ্যোতিষবিদ এবং আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন এক বিশেষ বিষয়ে। সবার জন্য কিন্তু ন্যাড়াপোড়ার এই বিধ্বংসী আগুনের শিখা শুভ ফল বয়ে আনে না। বিশেষ করে তিন ধরণের মানুষের জন্য এই আগুন দেখা বা তার সামনে যাওয়া বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারা কারা এই দিন একদম যাবেন না আগুনের সামনে?

নববিবাহিতাদের জন্য কেন ‘অলক্ষুণে’?

বাংলার বহু পরিবারে আজও একটি প্রাচীন প্রথা প্রচলিত আছে। যাঁদের বিয়ের এক বছর পূর্ণ হয়নি, অর্থাৎ নতুন বউদের জন্য ন্যাড়াপোড়ার আগুন দেখা নিষিদ্ধ। শাস্ত্র মতে, ন্যাড়াপোড়া বা হোলিকা দহন হল ‘দাহ’ বা বিসর্জনের প্রতীক। এটি পুরনো বছরের সমস্ত অশুভকে পুড়িয়ে শেষ করে দেয়। অন্যদিকে, নববধূর জীবন হলো একটি নতুন সূচনার প্রতীক। আগুনের এই প্রচণ্ড ধ্বংসাত্মক রূপ নতুন দম্পতির জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে বৈবাহিক জীবনে অশান্তি এড়াতে বড়রা এই রাতে তাঁদের ঘরে থাকার পরামর্শ দেন।

অন্তঃসত্ত্বা ও সদ্যোজাতদের ঝুঁকি

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ন্যাড়াপোড়ার আগুন দেখা বা আগুনের খুব কাছে যাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এর পেছনে যেমন ধর্মীয় যুক্তি আছে, তেমনই আছে আধুনিক বিজ্ঞান। আগুনের তীব্র তেজ এবং খড় পোড়া ঘন ধোঁয়া হবু মায়ের শ্বাসকষ্ট তৈরি করতে পারে, যা গর্ভস্থ সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ছোট বাচ্চাদেরও এই আগুন থেকে দূরে রাখা উচিত, কারণ আগুনের উগ্রতা তাদের নরম মনে ভয়ের সঞ্চার করতে পারে।

অসুস্থ ও মানসিক চাপে থাকা ব্যক্তি

যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কোনো কঠিন রোগে ভুগছেন বা হার্টের সমস্যা আছে, তাঁদের এই প্রচণ্ড উত্তাপ ও কোলাহল থেকে দূরে থাকাই ভালো। এছাড়া জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, যাঁদের কুণ্ডলীতে গ্রহের অবস্থান দুর্বল বা যাঁরা প্রচণ্ড মানসিক অবসাদের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তাঁরা জ্বলন্ত শিখার দিকে তাকিয়ে থাকলে নেতিবাচকতা বাড়তে পারে। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পরিবর্তে তাঁরা বাড়িতে বসে শান্ত মনে ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করলে অনেক বেশি সুফল পাবেন।