
হস্তরেখা শাস্ত্র বা সামুদ্রিক শাস্ত্র অনুসারে, মেয়েদের হাতের তালুর গঠন এবং সেখানে থাকা বিশেষ কিছু চিহ্ন তাঁদের স্বামীর ভাগ্য বদলে দিতে পারে। জ্যোতিষবিদদের মতে, কিছু বিরল চিহ্ন রয়েছে যা হাতে থাকলে সেই নারী সাক্ষাৎ লক্ষ্মীস্বরূপা হন এবং বিবাহের পর তাঁর স্বামীর কর্মজীবনে অভাবনীয় উন্নতি ঘটে।
১. ধ্বজা ও রথ চিহ্ন: পদমর্যাদার প্রতীক
হস্তরেখা শাস্ত্র অনুযায়ী, যদি কোনো মেয়ের হাতের তালুতে স্পষ্ট ‘ধ্বজা’ (পতাকা) বা ‘রথ’-এর মতো চিহ্ন দেখা যায়, তবে তা অত্যন্ত সৌভাগ্যের লক্ষণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মেয়েরা উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘরণী হন। বিয়ের পর তাঁদের স্বামীর ক্যারিয়ারে দ্রুত উন্নতি ঘটে।
২. স্বস্তিক ও হাতের লালিমা: লক্ষ্মীস্বরূপা নারী
যাঁদের হাতের তালু স্বাভাবিকের তুলনায় সামান্য গোলাপি বা হালকা লালচে আভাযুক্ত হয়, তাঁদের শাস্ত্রে লক্ষ্মীর রূপ বলে গণ্য করা হয়। যদি রেখাগুলোর মিলনে হাতের তালুতে ‘স্বস্তিক’ চিহ্ন তৈরি হয়, তবে সেই মেয়ের স্বামী কোনোদিন আর্থিক অনটনের সম্মুখীন হন না। তাঁদের সংসারে সর্বদা শ্রীবৃদ্ধি বজায় থাকে।
৩. পদ্ম ও মৎস্য চিহ্ন: সুখ-সুবিধার ইঙ্গিত
হাতের তালুতে ‘পদ্মফুল’ বা ‘মাছ’ (মৎস্য)-এর চিহ্ন থাকা সবথেকে শুভ বলে মনে করা হয়। এই চিহ্নগুলি মেয়েদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পাশাপাশি তাঁদের স্বামীদের সারা জীবনের আরাম ও বিলাসিতার ইঙ্গিত দেয়। সামুদ্রিক শাস্ত্র মতে, এমন স্ত্রী পাশে থাকলে স্বামীর জীবনে কোনো অভাব থাকে না।
৪. তুলাদণ্ড ও বৃষ চিহ্ন: সফল শিল্পপতি
যদি কোনো মেয়ের ডান হাতের তালুতে ‘তুলাদণ্ড’ (তরাজু) এবং বাম হাতের তালুতে ‘হাতি’ বা ‘বৃষ’ (ষাঁড়)-এর মতো আকৃতি তৈরি হয়, তবে তাঁর স্বামী একজন অত্যন্ত বড় এবং সফল শিল্পপতি বা ব্যবসায়ী হন। স্ত্রীর ভাগ্যের জোরে স্বামীর ব্যবসায় কখনও ক্ষতির মুখ দেখতে হয় না।