
পৌষ পার্বণ মানেই চালের গুঁড়োর সুগন্ধ আর নলেন গুড়ের মিষ্টি স্বাদ। তবে একই স্বাদের পাটিসাপটা খেতে খেতে যাঁদের একটু একঘেয়েমি লাগছে, তাঁদের জন্য এবারের শীত হোক একটু অন্যরকম। পাটিসাপটার মোড়কে কাস্টার্ড থেকে চকোলেট— জিভে জল আনা ৫টি নতুন রেসিপি ট্রাই করতে পারেন।
চকোলেট-হ্যাজেলনাট পাটিসাপটা
ছোটদের সবথেকে প্রিয় এই ফিউশন। পাটিসাপটার ব্যাটার তৈরি করার সময় তাতে সামান্য কোকো পাউডার মিশিয়ে দিন। আর পুর হিসেবে ব্যবহার করুন চকোলেট স্প্রেড এবং কুচোনো হ্যাজেলনাট বা কাজু। ওপর থেকে চকোলেট সস ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
ফ্রুট কাস্টার্ড পাটিসাপটা
যাঁরা খুব বেশি মিষ্টি পছন্দ করেন না, তাঁদের জন্য এটি সেরা। দুধ, কাস্টার্ড পাউডার ও চিনি দিয়ে ঘন একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এর সাথে মেশান বেদানা, আপেল বা আঙুরের কুচি। এই ঠান্ডা কাস্টার্ডের পুর দিয়ে পাটিসাপটা মুড়িয়ে নিলেই তৈরি এক স্বাস্থ্যকর ডেজার্ট।
মালাই-পনির পাটিসাপটা
ক্ষীরের বদলে এখানে ব্যবহার করা হয় ম্যাশ করা পনির বা ছানা। পনিরের সঙ্গে এলাচ গুঁড়ো, কনডেন্সড মিল্ক এবং সামান্য কেশর দিয়ে পুর তৈরি করুন। পনিরের হালকা নোনতা ভাব আর দুধের মালাইয়ের মেলবন্ধন এই পিঠেকে দেবে এক আভিজাত্য।
গোলাপ-বাসন্তী পাটিসাপটা
শীতের উৎসবে রাজকীয় স্বাদ আনতে ট্রাই করুন গুলকন্দ পাটিসাপটা। পাটিসাপটার ব্যাটারে কয়েক ফোঁটা রোজ সিরাপ মেশালে আসবে গোলাপি আভা। আর ভিতরে খোয়া ক্ষীরের পুরের সঙ্গে সামান্য গুলকন্দ মিশিয়ে দিন। প্রতি কামড়ে গোলাপের স্নিগ্ধ সুগন্ধ আপনাকে মুগ্ধ করবে।
ম্যাঙ্গো-সন্দেশ পাটিসাপটা
শীতকালেও আমের স্বাদ পেতে চাইলে এই পিঠে অতুলনীয়। আমসত্ত্ব বা আমের পাল্পের সঙ্গে সন্দেশ মেখে পুর তৈরি করুন। ব্যাটারটি সাধারণ রেখে ভিতরে এই আমের স্বাদের টুইস্ট পাটিসাপটাকে এক লহমায় আধুনিক করে তুলবে।
ব্যাটার: চালের গুঁড়ো ও ময়দার ব্যাটারটি অন্তত আধ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন, এতে পিঠে নরম হবে এবং ফাটবে না।
পাটিসাপটা করার সময় তাওয়া খুব বেশি গরম করবেন না। হালকা আঁচে ধৈর্য ধরে পিঠে সেঁকলে তা যেমন ধবধবে সাদা হবে, তেমনই নমনীয় থাকবে। অতিরিক্ত তেল দেবেন না। বেগুনের বোঁটা বা ভিজে কাপড়ে সামান্য ঘি মাখিয়ে তাওয়া মুছে নিলে পিঠের গঠন সুন্দর হয়।