
বাংলায় প্রথম দফার নির্বাচনের আর ঠিক ২ সপ্তাহ বাকি। জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। এই আবহে বৃহস্পতিবার রাজ্যের ৩ জেলায় তিনটি সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল এবং বীরভূমের সিউড়িতে এদিন সভা করেন তিনি।

তিনটি সভা থেকে তৃণমূলকে নিশানা করেন মোদী। বলেন, "বাংলাকে যারা লুঠ করেছে, তাদের সকলের হিসাব নেওয়া হবে।"

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে মোদী বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে চাকরি লুঠের খেলা চলছে।"

আরজি করে তিলোত্তমাকাণ্ডের উল্লেখ করে মোদী বলেন, "আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে।"

সিউড়ির সভা থেকে মোদী বলেন, "তৃণমূলের জঙ্গলরাজের সাক্ষী বীরভূম।"

তৃণমূলকে নিশানা করে মোদী বলেন, "তৃণমূল কীভাবে মনরেগার নামে গরিব, দলিত, আদিবাসী পরিবারকে ঠকিয়েছে আপনারা জানেন। কেন্দ্রীয় সরকার আইন নিয়ে এসেছে। গরিবদের রোজগার দেব।"

আসানসোলের সভা থেকে মোদী বলেন, "তৃণমূল সরকারকে পাল্টানো দরকার। ৪ মে-র পর বাংলা উন্নয়নের এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে।"

হলদিয়ার সভা থেকে মোদী 'ছয় গ্যারান্টির' কথা বলেন। তার মধ্যে একটি হল রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে সপ্তম পে কমিশন চালু হবে।

তৃণমূল মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে বিজেপিকে লাগাতার নিশানা করে চলেছে। এদিন মোদী বলেন, "বাংলায় মাছের এত চাহিদা, কিন্তু এই রাজ্য মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর নয়। চাহিদা মেটাতে অন্য রাজ্য থেকে আমদানি করতে হয়।"

হলদিয়ায় মোদীর মঞ্চে ছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মোদী সেই সভা থেকে বলেন, "পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রাম পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছিল। এ বার তার পুনরাবৃত্তি হবে ভবানীপুরে। গোটা বাংলায় পরিবর্তন হবে।"