Ayodhya Ram Mandir: ৫০০ পর সিংহাসনে শ্রীরামচন্দ্র! ৩৩ বছর আগেই রাম মন্দির নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ইনি
Prediction on Ram temple: বহু বছর ধরে রামমন্দির ও বাবরি মসজিদ বিতর্কের পর রামলালাকে প্রতিষ্ঠা করা হবে। তবে দেশে সবচেয়ে বড় রামমন্দির নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এই দেশেরই এক গুণী ও মহান সাধু। উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের বাসিন্দা দেবরাহ বাবা তিন দশক আগেই এই ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছিলেন। আর সেই সত্য কথা আজ প্রমাণিত হতে চলেছে।

আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় নবনির্মিত রামমন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার উত্সব পালন করা হবে। তারপরেই মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে সাধারণের জন্য। এদিনেই ৫০০ বছর পর মর্যাদা পুরুষোত্তম নিজের সিমহাসনে বসতে চলেছেন। বহু বছর ধরে রামমন্দির ও বাবরি মসজিদ বিতর্কের পর রামলালাকে প্রতিষ্ঠা করা হবে। তবে দেশে সবচেয়ে বড় রামমন্দির নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এই দেশেরই এক গুণী ও মহান সাধু। উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের বাসিন্দা দেবরাহ বাবা তিন দশক আগেই এই ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছিলেন। আর সেই সত্য কথা আজ প্রমাণিত হতে চলেছে।
উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার বাসিন্দা দেবরাহ বাবাকে মহান সন্তদের মধ্যে গণ্য করা হয়। বিভিন্ন সময়ে নানা অলৌকিক ঘটনাগুলি মানুষকে চমকে দিয়েছে। তার মধ্যে বিতর্কেক মাঝে তিনি রামমন্দির নিয়ে এক সত্য কথা বলেছিলেন। কথিত আছে, দেশজুড়ে যখন রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে আন্দোলন চলছিল, দাঙ্গাকে ঘিরে অশান্তি ও উত্তেজনার মাঝেও দেবরাহ বাবা এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ‘রাম মন্দির অবশ্যই তৈরি হবে। সকলের সম্মতি নিয়েই নির্মিত হবে।
২০১৯ সালের ৯ রাম মন্দির নিয়ে সুপ্রিম সিদ্ধান্তে দেশের উত্তেজনা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। সেই সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়েছিল সব মহলই। ২০২৪ সালে রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা পর সাধারণের জন্য দরজা খুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। গোটা ঘটনা যে পূর্বনির্ধারিত, তা দেবরাহ বাবার কথাতেই স্পষ্ট।
দেবরাহ বাবা কে ছিলেন?
কথিত আছে দেবরাহ বাবার ভবিষ্যৎ দেখার এক ক্ষমতা ছিল। শুধু মানুষের ভূত-ভবিষ্ওযত নয়, পশুদের চিন্তাভাবনা জানাতেও পারদর্শী ছিলেন তিনি।অনেকের কথায় , বাবা প্রায় ২৫০ বছর বেঁচে ছিলেন, আবার কেউ কেউ বিশ্বাস করেন যে বাবার বয়স ছিল ৫০০ বছর। জওহর লাল নেহেরু, লাল বাহাদুর শাস্ত্রী, ইন্দিরা গান্ধী, রাজেন্দ্র প্রসাদ, মহামনা মদন মোহন মালব্যের মতো বিখ্যাত ব্যক্তিদের দেবরাহ বাবার ভক্ত বলে জানা যায়।
