AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Clapping In Bhajan: নামকীর্তনের সময় কেন হাততালি দেওয়া হয়? রয়েছে অজানা কারণ

Hinduism: এমনটা হওয়ার পিছনে রয়েছে ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক কারণ। প্রথম কারণ হল, আরতির সময় বা নামসংকীর্তনের সময় যে হাততালি দেওয়া হয়, তা বাড়ির বড়রাই শেখান। তাই সেই ছোটবেলার অভ্যেস কখনও ভোলার নয়। তবে এই অভ্যেস মানুষের ধর্ম বেশ পুরনো। ভজন ও নামকীর্তনের সময় তালে তাল মিলিয়ে হাততালি দেওয়ার প্রথা কেন পালন করা হয়, জানেন?

Clapping In Bhajan: নামকীর্তনের সময় কেন হাততালি দেওয়া হয়? রয়েছে অজানা কারণ
| Edited By: | Updated on: Feb 10, 2024 | 7:32 AM
Share

জন্মদিনের দিন বার্থডে বয় বা গার্লকে উইশ করার জন্য হাততালি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো একটি স্বাভাবিক ঘটনা। তবে শুধু জন্মদিনের দিনই নয়, বাড়িতে বা মন্দিরে বা যে কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আরতি করার সময় ঘণ্টা, কাঁসর বাজিয়ে বা হাততালি দেওয়া হয়ে থাকে। এমনকি ভজন, নামকীর্তনের সময় ভক্তিমনে আমনমনে ভক্তরা হাততালি দিয়ে ঈশ্বর আরাধনায় মগ্ন হয়ে ওঠেন। কিন্তু ঈশ্বর আরাধনায় আরতির সময় বা কীর্তনের সময় হাততালি কেন দেওয়া হয়?

এমনটা হওয়ার পিছনে রয়েছে ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক কারণ। প্রথম কারণ হল, আরতির সময় বা নামসংকীর্তনের সময় যে হাততালি দেওয়া হয়, তা বাড়ির বড়রাই শেখান। তাই সেই ছোটবেলার অভ্যেস কখনও ভোলার নয়। তবে এই অভ্যেস মানুষের ধর্ম বেশ পুরনো। ভজন ও নামকীর্তনের সময় তালে তাল মিলিয়ে হাততালি দেওয়ার প্রথা কেন পালন করা হয়, জানেন?

এই অভ্যেস কবে থেকে শুরু হয়েছিল?

ভজন-কীর্তনের সময় হাততালি দেওয়ার প্রথা বহু পুরনো। শ্রীমদ্ভাগবত অনুসারে, এই প্রথাটি শুরু করেছিলেন ভগবান বিষ্ণুর ভক্ত প্রহ্লাদ। বিশ্বাস অনুসারে, রাজা হিরণ্যকশ্যপ সত্যযুগে অত্যন্ত শক্তিশালী রাজা ছিলেন। তাঁর পুত্র প্রহ্লাদ ভগবান বিষ্ণুর পরম ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর ভক্তিতে মগ্ন ছিলেন। একদিন ক্রোধের বশবর্তী হয়ে হিরণ্যকশ্যপের সমস্ত যন্ত্র ভেঙ্গে দিলেন, তারপর প্রহ্লাদ হাততালি দিয়ে ভগবানের পুজো শুরু করলেন। কথিত আছে, এই সময় থেকেই ভজন-কীর্তনের সময় হাততালি দেওয়ার রীতি শুরু হয়।

ধর্মীয় তাৎপর্য কী?

শাস্ত্র অনুসারে, যখন ভজন-কীর্তন বা আরতি করি, তখন সকলেই হাততালি দেওয়া রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তালে তাল মিলিয়ে হাততালি দিলে মনে করা হয়, ঈশ্বর আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছেন। আমাদের প্রার্থনা শুনে ভগবান সেই প্রার্থনা পূরণ করেন। আর জীবনের সব কষ্ট-সমস্যা দূর করেন। শুধু তাই নয়, ভজন-কীর্তন বা আরতির সময় হাততালি দেওয়া হলে ধ্যানে বা আত্মা চেতনায় থাকে,তাতে মনকে একাগ্র করতে সাহায্য করে।

বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব 

যদি ভজন-কীর্তন ও আরতির সময় হাততালির বৈজ্ঞানিক গুরুত্বও রয়েছে। নামকীর্তনের সময় হাততালি দেওয়া স্বাস্থ্যের ওপর ভাল প্রভাব তৈরি হয়। সাধারণত, এই সময় আকুপ্রেসার পয়েন্টগুলিকে দমন করে, যা হার্ট ও ফুসফুস সম্পর্কিত রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়া সুরের তালে তাল দিয়ে হাততালি দিলে শরীরে উষ্ণতা তৈরি হয়, যা রক্ত ​​সঞ্চালনকেও উন্নত করে, রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় সহজেই।

Follow Us