
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল নিশ্চিত। তার আগে জোড়া তৃপ্তি। বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অভিযান শুরু করেছিল ভারত। সেই ম্যাচে সেট হয়েও আগের দু-ইনিংসের মতো লেগ স্পিনারের শিকার হয়েছিলেন বিরাট কোহলি। আবারও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যাবতীয় সমালোচনার জবাব দিয়েছেন। অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ম্যাচ জিতিয়েছেন বিরাট কোহলি। টুর্নামেন্টের আয়োজক পাকিস্তান হলেও দুবাইয়ে খেলা হয়েছে। পাকিস্তানের বোলারদের ‘অতিথি’ আপ্যায়ন করে ক্লান্ত কিং কোহলি। এ বার ছুটি চাই বিরাটের। পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দিলেন।
ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিরাট কোহলির ইনিংস গড়ার ক্ষেত্রে একটা যেন প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যায়। শুরুটা করেন মন্থর। এরপর গিয়ার শিফ্ট করেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মিডল ওভারে সিঙ্গল-ডাবলসে বেশি জোর দেন। বিশেষ করে স্পিনারদের বিরুদ্ধে এই ছিল প্ল্যান। পেসারদের বিরুদ্ধে আক্রমণে নজর। শেষ অবধি বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরিও পূর্ণ করেন আবার দলের জয়ও। সেমিফাইনাল নিশ্চিত। কেরিয়ারের ৫১তম ওডিআই সেঞ্চুরি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মঞ্চে প্রথম সেঞ্চুরি। এরপর? পরিকল্পনার কথা জানালেন বিরাট নিজেই।
গ্রুপ পর্বে দুটি ম্যাচ খেলে নিয়েছে ভারত। লিগের শেষ ম্যাচ ২ মার্চ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। হাতে বেশ কয়েকটা দিন সময়। ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিয়ে বিরাট এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘সত্যি বলতে, ৩৬ বছর হয়ে গিয়েছে। এ সময় ছুটি পেলে আনন্দই হয়। আগামী কয়েকটা দিন সব কিছু ছেড়ে শুধু বিশ্রাম করব। কারণ, প্রতি ম্যাচে এরকম পারফরম্যান্সই করতে চাই। তার আগে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়।’
পরিশ্রমের দাম যে সব ম্যাচেই পাওয়া যায়, তা নয়। তবে পাকিস্তান ম্যাচে পেয়েছেন। ম্যাচের আগের দিন টিমের আগেই প্র্যাক্টিসে নেমে পড়েছিলেন। স্পিনের বিরুদ্ধে সুইপ প্র্যাক্টিস করেছিলেন। তার সুফলও পেয়েছেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুবাইয়ের মন্থর পিচে ১১১ বলে অপরাজিত সেঞ্চুরির ইনিংস। ক্লান্ত কিং কোহলির ছুটি তো প্রাপ্য!