
কলকাতা: রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ মানেই হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। ২২ গজে থাকা ক্রিকেটার হোক বা ডাগআউটে থাকা ক্রিকেটার, সকলেই উত্তেজনার চোরাস্রোত অনুভব করেন। গ্যালারির গর্জন কখনও তীব্র হয়, আবার কখনও নিশ্চুপ হয়ে যায়। মোহালিতে রাতেও হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সূর্যোদয়। পঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছেন হার্দিক-ঈশান-রোহিতরা। আর মুম্বইয়ের এই ম্যাচে জয়ের অন্যতম কারিগর জসপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah)। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে বুমরা ঝুলিতে ভরেছেন ৩টি উইকেট। তাঁর ইকোনমি ৫.২৫। ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন বুমরা। তারপর কী বলেছেন MI এর জয়ের নায়ক?
জসপ্রীত বুমরার হাতে বল মানেই ধামাকা দেখার অপেক্ষায় থাকেন ক্রিকেট প্রেমীরা। তিনিই নিরাশ করেন না। যেমন লক্ষ্মীবার রাতে করলেন না। পঞ্জাবের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন বুমরা। নিজের স্পেলের প্রথম ওভারেই ঝুলিতে ভরেন জোড়া উইকেট। বিনিময়ে মাত্র ২ রান দেন। এরপর নিজের স্পেলের দ্বিতীয় ওভারে ৭ রান দেন বুমরা। সেই ওভারে উইকেট পাননি তিনি। এরপর ১৩তম ওভারের প্রথম বলে শশাঙ্ক সিংকে ফেরান বুমরা। ৪১ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি। এরপর ১৭তম ওভারে নিজের স্পেল শেষ করেন মাত্র ৩ রান দিয়ে। বুমরার এই আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের দাপটে জিতেছে মুম্বই।
ম্যাচের সেরার পুরস্কার নেওয়ার পাশাপাশি চলতি আইপিএলের পার্পল ক্যাপও পেয়েছেন জসপ্রীত বুমরা। তাঁর ঝুলিতে এখন ৭ ম্যাচে ১৩টি উইকেট। পঞ্জাব ম্যাচের শেষে বুমরা বলেন, ‘ভীষণ ক্লোজ ম্যাচ ছিল। বল যদি কাজ করে তা হলে অবশ্যই চাপ রাখার চেষ্টা করি। এই ফর্ম্যাটে বল দুই ওভার সুইং করে। আমি যখন বেশি বোলিং করতে চাই, তার জন্য টেস্ট ক্রিকেট রয়েছে। সেখানে খেলি। সেটা আমার ইচ্ছেপূরণ করে। আর এই ফর্ম্যাট বোলারদের জন্য একটু কঠিন। সময়ের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম। আমি যখন মাঠে থাকি বোলারদের বার্তা রিলে করি। কিন্তু অনেক সময় ম্যাচে যখন উত্তেজক মুহূর্ত সৃষ্টি হয়, ওই সময় বোলারদের বেশি বার্তা দেওয়া ঠিক নয়।’
জসপ্রীত বুমরার পাশাপাশি প্রোটিয়া তারকা জেরাল্ড কোৎজেও পঞ্জাবের বিরুদ্ধে তিনটি উইকেট নিয়েছেন। কিন্তু এটা প্রমাণ হয়েছে যে বুমরা ছাড়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কিন্তু অন্ধকারে।