AFG vs IRE: টি-টোয়েন্টির চেয়েও খারাপ! আফগানদের টেস্ট ভরাডুবি দেখে হাসাহাসি
আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া একই সময়ে। ২০১৮ সালে আফগানরা প্রথম টেস্ট খেলেছিল ভারতের বিরুদ্ধে। আর আয়ারল্যান্ডের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। তার পর ৫টা বছর পেরিয়ে গিয়েছে ক্যালেন্ডারে। লাল বলের ক্রিকেটে আয়ারল্যান্ডের খুব বেশি বদল হয়নি। ৭টা ম্যাচ খেলে সাতটাতেই হেরেছে। আফগানিস্তান কিন্তু ৮টা ম্যাচ খেলে জিতেছে তিনটেতে।

কলকাতা: একটা টিমের বয়স মাত্র ৮। আর একটা টিমের ৭। টক্কর সমানে সমানে বলা যায় কি? সুযোগ, অভিজ্ঞতা, প্রতিভার নিরিখে ভাবলে ৭এর থেকে অনেক এগিয়ে থাকবে ৮। না, শুধু এ দিয়েই মাপা যাবে না। বরং বলতে হবে, ক্রিকেটের তিন ফর্ম্যাটে যা পারফরম্যান্স, তাতে বেশ কয়েক মাইল এগিয়ে থাকবে ৮ই। এই এগিয়ে থাকা টিমের নাম কী? আফগানিস্তান। যে টিমকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের বিস্ময় বলা যেতে পারে। ওয়ান ডে ক্রিকেটের ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি। আর টেস্টে? নাহ, খুব বেশি ভাবনায় রাখা যাচ্ছে না। লাল বলের ক্রিকেটে এখনও দাপট দেখানোর জায়গায় পৌঁছতে পারেননি আফগানরা। না হলে যে টিমের বয়স ৭, সেই আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেই কিনা এই হাল?
আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া একই সময়ে। ২০১৮ সালে আফগানরা প্রথম টেস্ট খেলেছিল ভারতের বিরুদ্ধে। আর আয়ারল্যান্ডের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। তার পর ৫টা বছর পেরিয়ে গিয়েছে ক্যালেন্ডারে। লাল বলের ক্রিকেটে আয়ারল্যান্ডের খুব বেশি বদল হয়নি। ৭টা ম্যাচ খেলে সাতটাতেই হেরেছে। আফগানিস্তান কিন্তু ৮টা ম্যাচ খেলে জিতেছে তিনটেতে। টিম হিসেবে আফগানরা অনেক ভালো, অভিজ্ঞতাও যথেষ্ট। তার পরও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভরাডুবি হল প্রথম ইনিংসে। মাত্র ১৫৫ রানে শেষ তারা। হসমৎউল্লাহ শাহিদির টিমের কেউই কার্যত রান পাননি। টেস্ট অভিষেক হল কেকেআরের রহমৎউল্লাহ গুরবাজের। কিন্তু রানের খাতায় তেমন ছাপ রাখতে পারেননি। একমাত্র ওপেনার ইব্রাহিম ডারদান ৫৩ করেছেন। ৪১ করে নট আউট থেকে গিয়েছেন করিম জনত। না হলে ১০০ও পার করতে পারত না আফগানিস্তান। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আফগানরা বেশ শক্তিশালী টিম। যে কোনও সেরা টিমকে বেগ দিতে পারে। হাসতে খেলতে তুলতে পারে ২০০র বেশি রান। সেই টিম কিনা দেড়শো পার করেই গুটিয়ে গেল! এ নিয়ে অনেকেই কিন্তু বিস্ময় প্রকাশ করছেন।
আয়ারল্যান্ডের ২৭ বছরের পেসার মার্ক অ্যাডায়ার চমৎকার পারফর্ম করেছেন। টেস্ট এর আগে খেলেছেন। সেই অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগিয়েছেন ডান হাতি পেসার। ৫ উইকেট নিয়েছেন মার্ক। মূলত তিনিই ভেঙেছেন আফগানদের কোমর। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন ক্রেইগ ইয়ং এবং কার্টিস ক্যাম্ফার। ১ উইকেট ব্যারি ম্যাককার্থি।
