
কলকাতা: পাকিস্তান আসছে না। কিন্তু পাকিস্তান আসছে! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আবহে এই ‘পাকিস্তানি’রাই কি ভারতের চিন্তার কারণ হবে? এই প্রশ্ন থাকছে প্রবল ভাবে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথ আয়োজক। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বিতর্কের পর ভারতে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। তাদের যাবতীয় ম্য়াচ আয়োজন করবে শ্রীলঙ্কা। একই গ্রুপে থাকার ফলে ভারত-পাকিস্তান ম্য়াচ হবে কলম্বোতে। বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ানরা না এলেও পাকিস্তান আসছে ভারতে। তাঁদের নিয়েই কিন্তু চাপ থাকছে।
পাকিস্তান এ দেশে খেলতে না এলেও পাকিস্তানি বংশদ্ভুত ক্রিকেটাররা খেলেন বিভিন্ন দেশের হয়ে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টিমে রয়েছেন পাকিস্তানি-জাত কোচিং স্টাফও। ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ, কানাডা, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, আমিরশাহি, আমেরিকার মতো দেশগুলোতে এমন প্লেয়ার অসংখ্য। পাক-জাত প্লেয়ার ও কোচিং স্টাফদের মিলিয়ে সংখ্যাটা ৪২। যাঁরা ভারতে আসবে তাঁদের দলের হয়ে খেলতে। তাঁদের এ দেশে আসতে হলে ভিসা শর্ত পূরণ করতে হবে। ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে ভিসা প্রক্রিয়া বিলম্ব হতে পারে, এমন আশঙ্কা করছে দেশগুলো। যে কারণে তারা আইসিসির দ্বারস্থ হয়েছে। আইসিসি আশ্বস্ত করেছে, ভিসা সমস্যা দিকে নজর রাখবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা।
প্রথমে বাতিল করা হলেও পরে ইংল্যান্ডের আদিল রশিদের ভিসা মঞ্চুর করেছে ভারত সরকার। টিমের সঙ্গে ভারতে পা রাখার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেয়েছেন রেহান আহমেদও। বাকিদের ক্ষেত্রেও যাতে সময়ে ভিসা মেলে, তার জন্য় তদ্বির শুরু হয়েছে। আমিরশাহি, ইতালি, বাংলাদেশ, কানাডার প্লেয়ারদের ভিসার জন্য ইন্টারভিউ আগামী সপ্তাহের শুরুতেই রাখা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যেই প্রয়োজনীয় ভিসা সব দলের ক্রিকেটাররা, বিশেষ করে পাকজাত প্লেয়াররা পেয়ে যাবেন।