
কলকাতা : গত বছর থেকেই কথা উঠছিল, আরসিবিকে উড়িয়ে দেবে মুম্বই। আরসিবির ব্যাটাররা দাঁড়াতেই পারবেন না মুম্বইয়ের কাছে। কিন্তু কোথায় কী? বাস্তব যে কল্পনার চেয়ে অনেক বেশি রূঢ়। ১৮ রানে হেরে মুম্বই এই মুহূর্তে বেশ চাপের পরিস্থিতিতে। তবে মুম্বইকে ভরসা দেবে রাদারফোর্ডের ফর্ম। একা লড়লেন তিনি। ৩১ বলে ৭১ রান করা সত্ত্বেও হেরে গেল মুম্বই।
টসে জিতে মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে প্রথম ওভার থেকেই যে সল্ট ও কোহলি মুম্বইয়ের বোলারদের পাড়ার বোলারের স্তরে নামিয়ে আনলেন, তা দেখে হয়ত মুম্বই সমর্থকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল। ৩৬ বলে ৭৮ রান করলেন সল্ট। কোহলি করলেন ৩৮ বলে ৫০। আউট হওয়ার সময় তাঁর অভিব্যক্তিই বলে দিচ্ছিল, কতটা হতাশ হয়েছেন কোহলি। ২০ বলে ৫৩ রান করলেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। টানা দুই ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করলেন রজত। তাঁর ব্যাটে ভর করেই ২০০-র গন্ডি পার করেছিল আরসিবি। শেষে লড়লেন টিম ডেভিড। ১৬ বলে ৩৪ রান করলেন ডেভিড। ২০ ওভার শেষে আরসিবি করল ২৪০/৪। দিন কয়েক আগে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে আরসিবি করেছিল ২৫০। আজ করল ২৪০। এই বড় রানই প্রমান করে, আরসিবির ব্যাটিং গভীরতা। আজকেও উইকেট পেলেন না বুমরা। এই নিয়ে টানা ৪ আইপিএল ম্যাচে উইকেট পেলেন না বুমরা। আজ বুমরার স্পেল ৪-০ -৩৫-০।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই পাল্টা আক্রমণ করছিলেন রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকলটন। ১৩ বলে ১৯ রান করে আহত ও অবসৃত হয়ে মাঠ ছাড়লেন রোহিত। রিকলটন ফিরলেন ২২ বলে ৩৭ রানে। এরপরে হার্দিক (৪০) ও সূর্য (৩২) চেষ্টা করলেও সেই রান কখনোই ২৪১ তোলার জন্য যথেষ্ট ছিল না। শারফেন রাদারফোর্ড করলেন ৩১ বলে ৭১ রান। ২৪১ তাড়া করতে নেমে ২০ ওভার শেষে মুম্বই করল ২২২/৫। ১৮ রানে জিতে মুম্বইকে টানা দুই বছর হারাল আরসিবি।
এই জয়ের ফলে ৩ নম্বরেই রইল আরসিবি। ৮ নম্বর স্থানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ২৫০ ও মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ২৪০ করে ইতিমধ্যেই আরসিবি টানা দুইবার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। টানা দুইবার ট্রফি কোহলিরা জিতবেন কি না, সেটা নাহয় সময় বলবে।