
কলকাতা : আইপিএল রেকর্ড ও রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু যেন একে অপরের পরিপূরক। এর আগে একাধিক রেকর্ড গড়েছে আরসিবি। সে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান থেকে সর্বোচ্চ আইপিএল রান , সব রেকর্ডই একসময় ছিল আরসিবির দখলে। তবে দ্বিতীয় রেকর্ড ২০২৪ সালে ভেঙে দিয়েছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। গতকাল সেই সানরাইজার্সকেই ৬ উইকেটে হারিয়ে একগুচ্ছ রেকর্ড গড়ল আরসিবি। ২০১৩ সালে পুণে ওয়ারিয়র্সের বিরুদ্ধে ১৭৫* করেছিলেন আরসিবির ক্রিস গেইল। সবথেকে বেশি রানের পার্টনারশিপের রেকর্ডও আরসিবির কাছেই। ২০১৬ সালে গুজরাট লায়ন্সের বিরুদ্ধে ২২৯ রানের পার্টনারশিপ করেছিলেন বিরাট কোহলি ও এবি ডি’ভিলিয়ার্স। ১০ বছর পরেও অক্ষত এই রেকর্ড।
আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে কম ওভারে ২০০ বা তার বেশি রান সফলভাবে তাড়া করার রেকর্ড এতদিন ছিল রাজস্থান রয়্যালসের কাছে। গত মরসুমে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ১৫.৫ ওভারে ২১২ রান তুলেছিল রাজস্থান। বৈভব সূর্যবংশী করেছিলেন ৩৮ বলে ১০১ রান। শনিবার ১ বল কম খেলেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছেন কোহলিরা। রাজস্থানের আগেও এই রেকর্ডের মালিক ছিল আরসিবি। এই গুজরাটের বিরুদ্ধেই ১৬ ওভারে ২০৬ রান তুলেছিল তারা। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে, এক বছরের মধ্যেই নিজেদের হৃত সাম্রাজ্য নিজেদের ঘরেই ফিরিয়ে আনল আরসিবি। এছাড়া আরও বেশ কিছু রেকর্ড ছুঁল আরসিবি। আইপিএলে রান তাড়া করে সবথেকে বেশি রান করার রেকর্ড গড়লেন বিরাট। করলেন ৪,০২৭ রান। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে শেষ ৫ ইনিংসে তাঁর ৩টি ৫০ রানের বেশি রানের ইনিংস হয়ে গেল। একটি ম্যাচে রয়েছে সেঞ্চুরিও। গতকালও করলেন ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস।
শনিবার হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মুডে ছিলেন কোহলি। ৩৮ বলে ৬৯ রানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন দেবদত্ত পাদিক্কাল। করেছেন ২৬ বলে ৬১ রান। কোহলির সঙ্গে তাঁর করা ৪৫ বলে ১০১ রানের পার্টনারশিপই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। অধিনায়ক রজত পাতিদার করেছেন ১২ বলে ৩১ রান। হায়দরাবাদের হয়ে সর্বোচ্চ স্কোর করেছেন ঈশান কিষান। ৮০ রান করেছেন ঈশান। এছাড়া ভাল খেলেছেন অনিকেত ভার্মাও। তিনি খেলেছেন ১৮ বলে ৪৩ রানের ইনিংস। কিন্তু ২৬ বল বাকি থাকতে থাকতে ২০০ রান তুলে সানরাইজার্সকে ৬ উইকেটে হারানোর পর কোহলি ও আরসিবিকে নিয়ে চর্চা সর্বত্র।