
কলকাতা : যেবছর আইপিএল শুরু হয়েছে, সেই বছর সমীর রিজভীর বয়স কত জানেন ? মাত্র ৫। হ্যাঁ, ২০০৩ সালে জন্ম এই ব্যাটারের। আজ সেই ২৩ বছরের ছেলের হাতেই ধ্বংস হয়ে গেলেন ঋষভ পন্থের লখনৌ। বলে রানে অপরাজিত রইলেন সমীর রিজভী। একসময় ২৬/৪ হয়ে গিয়েছিল দিল্লি। সেখান থেকেই ম্যাচের রাশ ধরলেন দুই ব্যাটার। রিজভী ও স্টাব্স। তাঁদের দাপটেই ১৪২ রান তাড়া করতে নেমে বল আগেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে গেল দিল্লি। এই নিয়ে ৫ ম্যাচেই রান তাড়া করা দল ম্যাচ জিতল।
টসে জিতে দিল্লি অধিনায়ক অক্ষর ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ওপেন করতে নেমেছিলেন অধিনায়ক পন্থ (৭)। এরপর থেকেই ভরাডুবি শুরু লখনৌ দলের। ৩৬ রানের মধ্যে শেষ ৪ উইকেট হারায় দিল্লি। বড় রান করেছেন ওপেনার মিচেল মার্শ (৩৫) ও আব্দুল সামাদ (৩৬)। ২০ ওভারের মধ্যেই ১৪১ রানে অল আউট হয়ে যায় দিল্লি। ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন লুঙ্গি এনগিডি ও নটরাজন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে শুরু করে দিল্লি। ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান কে এল রাহুল। ১৪২ তাড়া করতে নেমে একসময় ২৬/৪ হয়ে গিয়েছিল দিল্লির স্কোর। সেখান থেকেই ম্যাচের হাল ধরলেন সমীর রিজভী ও ট্রিস্টান স্টাব্স। লখনৌকে পাল্টা আক্রমণ শুরু করলেন তাঁরা। ৪৭ বলে ৭০ রানে অপরাজিত রইলেন রিজভী। স্টাব্স অপরাজিত রইলেন ৩২ বলে ৩৯ রানে। ১৭ বল বাকি থাকতেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায় দিল্লি। তাদের স্কোর ১৪৫/৪। ১১৯ রানের পার্টনারশিপ করলেন দুই জন ব্যাটার। ২ উইকেট পেয়েছেন প্রিন্স যাদব। ১ টি করে উইকেট পেয়েছেন মহম্মদ শামি ও মহসিন খান। এই ম্যাচ জয়ের সঙ্গে টানা ৫ ম্যাচেই রান তাড়া করা দল ম্যাচ জিতল।
ম্যাচের সেরা হলেন সমীর। নিয়ে গেলেন অনেক পুরস্কার। অতীতে চেন্নাইয়ের হয়ে খেললেও শেষ দুই বছরে দিল্লিই ঘর ছিল এই উত্তর প্রদেশের ব্যাটারের। সমীরের প্রশংসা করলেন অধিনায়ক অক্ষরও। কিন্তু, এই ম্যাচে দলের চিন্তা বাড়ালেন দলের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। রোজ রোজ এইভাবে ব্যর্থ হলে কিন্তু দলে তাঁরা থাকবেন না, এই কথা নিজেরাও জানেন।