Ranji Trophy 2024 Final: খেলার ইচ্ছে নেই শ্রেয়সের! এক হাত দূরের ডেলিভারি খোঁচা দিয়ে আউট
Shreyas Iyer: জোর করে শ্রেয়সের রঞ্জি খেলা তাঁর ব্যাটিংয়ে ফুটে উঠছে। ফাইনালের মতো ম্যাচ। যেখানে চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের সঙ্গে একটা জমাট জুটি গড়ার কথা, সেখানে এক হাত দূরের ডেলিভারি খোঁচা দিয়ে আউট হলেন শ্রেয়স। উমেশ যাদবের যে ডেলিভারিতে আউট হলেন তিনি, তা দেখার পর অনেকেই বলছেন তাঁর যেন ইচ্ছে নেই রঞ্জিতে খেলার। তাঁকে যেন জোর করে খেলতে হচ্ছে।

কলকাতা: ‘জোর করে কিছু হয় না’… কথাগুলো বেশ গুছিয়েই বলেছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। বোর্ডের বার্ষিক চুক্তি থেকে যখন ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার বাদ পড়েন তখন দেশের তারকা ক্রিকেটার ঋদ্ধিমান সাহাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল এই বিষয়ে। ঋদ্ধি দীর্ঘদিন জাতীয় দলে সুযোগ পান না। কিন্তু তিনি ক্লাব ক্রিকেট হোক বা আইপিএল যখন যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন, ঠিক খেলেছেন। কিন্তু শ্রেয়স আর ঈশানের রঞ্জির প্রতি অনীহা নিয়ে মারাত্মক আলোচনা হয়েছে ক্রিকেট মহলে। মুম্বইয়ের হয়ে রঞ্জি সেমিফাইলান খেলার পর ফাইনালেও (Ranji Trophy 2024 Final) খেলছেন শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)। কিন্তু নিজের ইচ্ছেতে খেলছেন তো? বিদর্ভর বিরুদ্ধে যেভাবে প্রথম ইনিংসে শ্রেয়স আউট হয়েছেন, তাতে এই প্রশ্নই উঠছে। ক্রিকেট মহলের মতে, যেন বাধ্য হয়ে রঞ্জিতে খেলছেন শ্রেয়স।
জোর করে শ্রেয়সের রঞ্জি খেলা তাঁর ব্যাটিংয়ে ফুটে উঠছে। ফাইনালের মতো ম্যাচ। যেখানে চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের সঙ্গে একটা জমাট জুটি গড়ার কথা, সেখানে এক হাত দূরের ডেলিভারি খোঁচা দিয়ে আউট হলেন শ্রেয়স। উমেশ যাদবের যে ডেলিভারিতে আউট হলেন তিনি, তা দেখার পর অনেকেই বলছেন তাঁর যেন ইচ্ছে নেই রঞ্জিতে খেলার। তাঁকে যেন জোর করে খেলতে হচ্ছে। তাই একটা দায়সারা ভাব ফুটে উঠছে তাঁর খেলার। যেন কোনও রকমে খেলা শেষ হলে বাঁচি গোছের মনোভাব শ্রেয়সের।
যার ফলে, ধারাভাষ্যকাররাও যে কারণে বলছিলেন, শ্রেয়সের ছন্দহীন খেলার যেন বিষয়টা মানসিক। তাঁর মাথার মধ্যে অন্যকিছু চলছিল। না হলে কেউ এত দূরের বল কোনও পায়ের মুভমেন্ট নেই, জায়গায় দাঁড়িয়ে এ ভাবে ব্যাট এগিয়ে দেয় না। শ্রেয়সের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এবং টেস্টে খেলার এত বছরের অভিজ্ঞতা। কিন্তু ফাইনালের মতো ম্যাচে সেই ছাপ দেখা গেল না শ্রেয়সের ব্যাটে। ১৫ বলে ৭ রান করে আউট হন শ্রেয়স আইয়ার।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে পৃথ্বী শ ও ভূপেন লালওয়ানির জুটিতে ওঠে ৮১ রান। ৩৭ রান করে আউট হন ভূপেন লালওয়ানি। যশ ঠাকুর বিদর্ভকে প্রথম উইকেট দেন। ডান দিকে ডাইভ দিয়ে দারুণ ক্যাচ উইকেটকিপারের। এরপর ৬৩ বলে ৪৬ রানে আউট হন পৃথ্বী শ। হর্ষ দুবে ক্লিন বোল্ড করেন পৃথ্বীকে। তারপর ১২ বলে ৬ রান করে মাঠ ছাড়েন মুশির খান। পৃথ্বীর পর হর্ষ দুবে ২৫তম ওভারের তৃতীয় বলে ফেরান মুশিরকে। দলগত ৩ অঙ্কের রানের আগে চতুর্থ উইকেট হারিয়ে ফেলে মুম্বই। লাঞ্চ বিরতি অবধি ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান তুলেছে রাহানের দল। ৬ রানে অপরাজিত মুম্বই ক্যাপ্টেন রাহানে এবং হার্দিক তোমর নট আউট ৪ রানে।
