
কলকাতা: ছয়ের বন্যা বইবে আবার। থাকবে চারের ফুলঝুরি। রানের জোয়ারে ভাসবে দল। বোলার নিধনযজ্ঞে নাম লেখাবেন তাবড় তাবড় ব্যাটার। পিছিয়ে থাকবেন না বোলাররাও। নতুন নতুন অস্ত্রে স্বপ্নভঙ্গ করবেন ব্যাটারদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মানেই রোমাঞ্চ। বোলার ও ব্যাটারদের চোখধাঁধিয়ে দেওয়া পারফরম্যান্স। ২০০৭ সালে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্ট ক্রিকেট প্রেমীদের উপহার দিয়েছে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত। আগামী মাস থেকেই শুরু হতে চলেছে টুর্নামেন্ট। আর তার আগেই দেখে নেওয়া যাক, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন কোন কোন ব্যাটার। আমরা বাছলাম সেরা পাঁচ।
৫) ডেভিড ওয়ার্নার
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন বাঁ হাতি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের রান সংগ্রহের ইতিহাসে পঞ্চমস্থানে রয়েছেন। ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপে মোট ৪১টি ম্যাচে খেলে করেছেন ৯৮৪ রান। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং স্টাইলই অনন্য করে তুলেছিল। স্বাভাবিক ভাবে সেরাদের এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ওয়ার্নার।
৪) জস বাটলার
ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটার ও প্রাক্তন অধিনায়ক জস বাটলার এই তালিকাযর চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। ২০১২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলে তিনি করেছেন ১০১৩ রান। বোঝাই যাচ্ছে, কম সময়ে সাফল্যের মগডালে উঠেছেন। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের জন্যই বাটলার পরিচিত। এই বিশ্বকাপেও খেলবেন তিনি।
৩) মাহেলা জয়বর্ধনে
শ্রীলঙ্কার ব্যাটার মাহেলা জয়বর্ধনে ৩১টি ম্যাচে ১০১৬ রান করে সেরা ব্যাটারদের এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। চাপের সময় ঠান্ডা মাথায় ইনিংস গড়ার আশ্চর্য ক্ষমতা ছিল মাহেলার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ছিলেন দলের ভরসার নাম। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতেন। জয়ের রাস্তা দেখাতেন দলকে।
২) রোহিত শর্মা
ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা এই তালিকায় রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। ২০২৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের ক্যাপ্টেন হিসেবে শেষবার খেলেছেন তিনি। ৪৪টি ইনিংসে করেছেন ১২২০ রান। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩৩.০৪। রোহিত কুড়ি-বিশের ক্রিকেটে বরাবর বিস্ফোরক ইনিংস খেলেছেন। সেই রোহিতকে এবার মিস করবে বিশ্বকাপ।
১) বিরাট কোহলি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন বিরাট কোহলি। ২০১২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ৩৫টি ম্যাচে তিনি করেছেন ১২৯২ রান। গড় ৫৮.৭২ এবং স্ট্রাইক রেট ১২৮.৮১। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে দেয় কেন বিশ্বকাপের মঞ্চে কোহলি ব্য়াট হাতে অন্য়তম। রোহিতের মতো তিনিও অবসর নিয়েছেন ক্রিকেটের ছোট ফর্ম্যাট থেকে। কিন্তু প্রসঙ্গ তাঁর বারবার উঠবে।