Mohunbagan Supergiant New Coach: বাগানে শেষ লোবেরা যুগ, এবার সবুজ-মেরুনের হেডস্যর গ্রিক কোচ!
Mohunbagan Supergiant: আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু ডুরান্ড কাপ। সেদিনই মুখোমুখি হবে কলকাতার দুই প্রধান। এই বার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-হলুদ। উল্টোদিকে, আইএফএ শিল্ড ছাড়া গত সিজনে আর কোনও ট্রফি আসেনি বাগানে। ডার্বিতেও আসেনি জয়। তবে এবারই আসল পরীক্ষা কারণ দুই দলের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়নি।

কলকাতা : মোহনবাগানে (Mohunbagan Supergiant) শেষ হয়েছে সার্জিও লোবেরা (Sergio Lobera) যুগ। ক্রমাগত ব্যর্থতার পর তাঁকে সরিয়ে দিয়েছে বাগান ম্যানেজমেন্ট। এবার হেড কোচের হটসিটে গ্রীক কোচ পানাগিওটিস দিলমপেরিস (Panagiotis Dilamperis)। পঞ্জাব এফসির কোচের পদ ছেড়ে এবার মোহনবাগানে এলেন প্যানোস। গত সিজনে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL 2026) বিদেশি ও যুব ফুটবলার নিয়ে কম ক্ষমতাসম্পন্ন দল গড়েও তাঁর স্ট্র্যাটেজি প্রশংসিত হয়েছিল। মূলত আক্রমনাত্মক অথচ ব্যালান্স ফুটবলের দর্শনে বিশ্বাসী পানোস। একান্ন বছর বয়সী এই কোচের হাতে নতুন মরসুমে দল পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট ম্যানেজমেন্ট।
কোচ হওয়ার পরেই এমবিএসজি মিডিয়ার কাছে তিনি মুখ খুললেন। মোহনবাগানকে কেন কোচিং করানোর সিদ্ধান্ত নিলেন প্যানোস? তাঁর কথায়,“মোহনবাগান কেবল একটি ফুটবল ক্লাব নয়— এটি একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান, যার রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস, এশিয়ার অন্যতম সেরা অনুরাগী ও সদস্য-সমর্থক। যা ভারতের আর কোনও ক্লাবের নেই।”
মোহনবাগানের মতো দলের কোচের তরফ থেকে প্রত্যাশার চাপ নিয়ে কোচের মত,“বিশ্বের সব বড় ক্লাবগুলোতেই প্রত্যাশা সবসময়ই আকাশচুম্বী থাকে এবং সেটাই স্বাভাবিক। মোহনবাগান সমর্থকদের এই আবেগই ক্লাবের অন্যতম প্রধান শক্তি। আমরা এমন একটি দল হয়ে উঠতে চাইব যারা প্রতিটি ম্যাচ জেতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মাঠে নামবে, লড়াই করবে।” দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ডুরান্ড কাপের ডার্বিতে নামছে সবুজ-মেরুন। এই বিষয়ে কোচকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ভারতে আসার পরই জেনে গিয়েছি কলকাতা ডার্বি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর একটি। সমর্থক, খেলোয়াড় এবং ক্লাবের সাথে যুক্ত প্রত্যেকের কাছে এর গুরুত্ব কতটা, তা আমি জানি। আমরা প্রতিপক্ষকে সম্মান করব, তবে একই সঙ্গে এই ডার্বি জিততেও চাই।”
আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু ডুরান্ড কাপ। সেদিনই মুখোমুখি হবে কলকাতার দুই প্রধান। এই বার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-হলুদ। উল্টোদিকে, আইএফএ শিল্ড ছাড়া গত সিজনে আর কোনও ট্রফি আসেনি বাগানে। ডার্বিতেও আসেনি জয়। তবে এবারই আসল পরীক্ষা কারণ দুই দলের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়নি। শোনা গিয়েছে, ইস্টবেঙ্গলেরও কোচের নাম বদল হচ্ছে। অস্কার ও লোবেরা জমানার বদলের পর আদৌ লাল-হলুদ ও সবুজ-মেরুন তাঁবুতে ট্রফি আসে কি না, সেই বিষয়েই প্রশ্ন রইল এবার।
