AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ISL : দিমির প্রত্য়াবর্তনে দুইয়ে দুই বাগানের

বহু টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হয়েছে আইএসএল। শুরু থেকেই দারুন ফর্মে দুই কলকাতার প্রধান। টানা ব্যর্থতা সঙ্গী ছিল ইস্টবেঙ্গলের, অন্যদিকে আইএসএলের সবথেকে সফল দলগুলির মধ্যে একটা মোহনবাগান। দুই দলের দুর্দান্ত ফর্ম দেখে যেন মনে হয়, শোলের জয়-ভীরু। এই দৃশ্যই তো দেখতে চেয়েছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা।

ISL : দিমির প্রত্য়াবর্তনে দুইয়ে দুই বাগানের
Image Credit: Facebook/Mohun Bagan Super Giant
| Edited By: | Updated on: Feb 24, 2026 | 6:03 PM
Share

মোহনবাগান সুপারজায়েন্ট ২ (ম্যাকলারেন, দিমি) : চেন্নাইয়িন এফসি

কলকাতা : ম্যাচের বয়স তখন ৬৫ মিনিট। বাঁদিক থেকে উঠে আসছিলেন শুভাশিস বসু। তাঁর ক্রস চেন্নাই ডিফেন্সের মাথা ছুঁতে ব্যর্থ হতেই খুঁজে নিল একজনের পা। এই ভরসার পা এর আগে বহু ম্যাচে বাগানের বৈতরণী পার করিয়েছে। আজও বাগানের ভরসার নাম একটাই। দিমিত্রি পেত্রাতোস। শুভাশিসের বল দিমির পা ছুঁয়ে গোলে ঢুকতেই সেই পরিচিত সেলিব্রেশন। প্রথমে সাইড লাইনে গিয়ে বুকে চাপড়। তারপর সেই বহুল পরিচিত স্টেনগান সেলিব্রেশন। এই স্টেনগান এর আগে সোনি নর্ডিকে চালাতে দেখেছে কলকাতা ময়দান। এখন দেখছে দিমিত্রিকে। দুই স্ট্রাইকারের মধ্যে মিল একটাই। গোলের খিদে। এই খিদেই তাঁদের তাড়িয়ে নিয়ে যায় অসম্ভবের লক্ষ্যে।

বাগান কোচ সের্জিও লোবেরা আগের দিনই বলেছিলেন, এবার গোল সংখ্যা বাড়াতে চান। সেই ঝাঁঝ একটু হলেও বোঝা গেল ম্যাচের দিন। শুরু থেকেই চেন্নাই বক্সে গোলের নানা সুযোগ তৈরী করছিলেন ম্যাকলারেন, লিস্টনরা। ব্রাজিলিয়ান রবসন রবিনহো বেশ কিছু দারুন মুহূর্ত উপহার দিলেও গোলের মুখ খুলতে ব্যর্থ হয় বাগান। প্রথমার্ধের একদম শেষমুহূর্তে অভিষেক সিংয়ের দুর্দান্ত পাস পেয়েছিলেন জেমি ম্যাকলারেন। নিখুঁত প্লেসিংয়ে বল জালে জড়িয়ে এগিয়ে দিলেন দলকে। দ্বিতীয়ার্ধে শুভাশিসের ক্রস ভলিতে গোলে ঢুকিয়ে দিলেন দিমি। ম্যাচের দুই অর্ধেই আক্রমণ করে গেল একা মোহনবাগান। চেন্নাইয়ের আক্রমণ সেই ভাবে দেখাই যায়নি মাঠ জুড়ে। ৮১ মিনিটে বক্সের ভিতর থেকে বাইরে শট মারলেন মণবীর সিং। সহজ সুযোগ মিস করলেন জেসন কামিংসও। তাঁরা গোল করলে আরও বড় ব্যবধানে জিততে পারত সবুজ মেরুন। অসংখ্য গোলের সুযোগ নষ্ট হলেও কোচ লোবেরা খুশি দলের খেলায়। একবছর আগে এই ২৩ ফেব্রুয়ারিই ওড়িশাকে হারিয়েই লিগ শিল্ড নিশ্চিত করেছিল সবুজ মেরুন। গোল করেছিলেন দিমি। একবছর পরে একই দিনে একই মাঠে তাঁর পায়ের জাদুতেই উদ্বেলিত মোহন জনতা। এই জনতা তাঁরাই, যাঁরা ইরান বিতর্কের সময় ভাঙচুর করেছিলেন দিমির গাড়ির কাঁচ।

বহু টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হয়েছে আইএসএল। শুরু থেকেই দারুন ফর্মে দুই কলকাতার প্রধান। টানা ব্যর্থতা সঙ্গী ছিল ইস্টবেঙ্গলের, অন্যদিকে আইএসএলের সবথেকে সফল দলগুলির মধ্যে একটা মোহনবাগান। দুই দলের দুর্দান্ত ফর্ম দেখে যেন মনে হয়, শোলের জয়-ভীরু। এই দৃশ্যই তো দেখতে চেয়েছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা।