পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু 2021 KT1, ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ ঘোষণা করল নাসা

নাসার তরফে জানানো হয়েছে, এই সপ্তাহের শেষে বা পরের সপ্তাহে ফের পৃথিবীর দিকে অন্যান্য গ্রহাণু ধেয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও তারা সকলেই 2021 KT1 গ্রহাণুর থেকে আকার, আয়তনে ছোটই হবে।

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু 2021 KT1, ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ ঘোষণা করল নাসা
ছবি প্রতীকী

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু 2021 KT1। মঙ্গলবার পৃথিবীর পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যাবে এই গ্রহাণু। কিন্তু গ্রহাণুর পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার খবরেও স্বস্তিতে নেই নাসা। বরং 2021 KT1 গ্রহাণুকে ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ বলে ঘোষণা করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ১ জুন ভারতীয় সময় সন্ধে ৭টা ৫৪মিনিট নাগাদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি এসে পড়বে এই গ্রহাণু। যদিও এই দৈত্যাকার পাথর পৃথিবীক সরাসরি ধাক্কা মারবে না। বরং ৪.৫ মিলিয়ন মাইল দূর দিয়েই উড়ে বেরিয়ে যাবে। কিন্তু তার পরেও আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

নাসার তরফে জানানো হয়েছে, এই সপ্তাহের শেষে বা পরের সপ্তাহে ফের পৃথিবীর দিকে অন্যান্য গ্রহাণু ধেয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও তারা সকলেই 2021 KT1 গ্রহাণুর থেকে আকার, আয়তনে ছোটই হবে। নাসা তাদের Jet Propulsion Laboratory (JPL) ওয়েবসাইটে জানিয়েছে যে, 2021 KT1 গ্রহাণুর সাইজ ১৮৬ মিটার। ‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টি’- র তুলনায় এই গ্রহাণু প্রায় দু’গুণ বড়। ওই সৌধ ৯৩ মিটার লম্বা।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর সঙ্গে সরাসরি এই গ্রহাণুর ধাক্কা লাগার কোনও সম্ভাবনা নেই। যখন এই গ্রহাণু পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে, তখনও তাদের মধ্যে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন মাইল দূরত্ব থাকবে। কিন্তু তাহলে কেন এই গ্রহাণুকে ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ হিসেবে ঘোষণা করেছে মার্কিন স্পেস এজেন্সি? নাসা জানিয়েছেন, যদি গ্রহাণু আকার-আয়তনে ১৫০ মিটারের বেশি হয় এবং পৃথিবীর সঙ্গে তার দূরত্ব ৪.৬ মিলিয়ন মাইল হয়, তাহলে সেই গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েডকে ‘পোটেনশিয়াল হ্যাজার্ডুয়াস’ বা সম্ভাব্য বিপজ্জনক বলা হয়।

আরও পড়ুন- মিল্কি ওয়ের ডাউনটাউন: ছায়াপথের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করল মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসা

গ্রহাণু 2021 KT1 যে পৃথিবীর উপর প্রভাব ফেলবে, এমন কোনও তথ্য কিন্তু জানা যায়নি। তাই নিয়ার আর্থ অবজেক্ট নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলেও জানিয়েছে নাসা। কারণ মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসার Center for Near Earth Object Studies- এর ওয়েবসাইটে এই গ্রহাণু থেকে পৃথিবীর ক্ষয়ক্ষতির কোনও সম্ভাব্য তথ্য দেওয়া হয়নি।