বাইকটা তখনও বাইরে দাঁড় করানো, ভাই জতুগৃহে! বাইরে অপেক্ষায় দাদা

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 26, 2026 | 5:13 PM

আনন্দপুরের ওই গুদামে কাজ করতেন পঙ্কজ হালদার। তাঁর দাদা এসেছেন খোঁজে। তিনি বললেন, “বাইকটা বাইরে পড়ে রয়েছে। ভাই বৌমাকে ফোন করেছিল। এসে বাইকটা দেখতে পেলাম, ভাইকে এখনও দেখিনি। স্যরদের (দমকল আধিকারিক) জিজ্ঞাসা করলাম, বলছেন, কিছু জানাতে পারছি না এখনই।”

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ওই গুদামটিতে মূলত শুকনো, প্যাকেটজাত খাবার মজুত করা থাকত। ছিল ঠান্ডা পানীয়ের বোতলও। দমকল আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, ওই এলাকায় মোট দুটো সংস্থা ছিল। একটি মোমো কারখানা, আর তার পাশে ডেকরেটর্সের গোডাউন-ওয়্যারহাউজ়। স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছেন, রবিবার রাতে ওই গোডাউনেই পিকনিক ছিল।  স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ২০ জন তো বটেই, অন্ততপক্ষে ৩০ জনের মতো ভিতরে থাকার কথা! আনন্দপুরের ওই গুদামে কাজ করতেন পঙ্কজ হালদার। তাঁর দাদা এসেছেন খোঁজে। তিনি বললেন, “বাইকটা বাইরে পড়ে রয়েছে। ভাই বৌমাকে ফোন করেছিল। এসে বাইকটা দেখতে পেলাম, ভাইকে এখনও দেখিনি। স্যরদের (দমকল আধিকারিক) জিজ্ঞাসা করলাম, বলছেন, কিছু জানাতে পারছি না এখনই।”