Mom’s Kitchen Companion: এমন বন্ধু আর কে আছে! মাকে সঙ্গ দিতে রান্নাঘরের বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে আদরের ওরিও
Golden Retriever: সারাদিন মায়ের সঙ্গে চিপকে থাকে সে। আর সেই মা যখন রান্নাঘরে রান্না করতে ব্যস্ত, দরজার সামনে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা তার রোজের অভ্যাস। এমনই এক গোল্ডেন রিট্রিভারের ভিডিয়ো ইনস্টায় খুব ভাইরাল হয়েছে। একবার দেখুন।
মানুষের সঙ্গে সারমেয়র যে অপার টান রয়েছে, তা বহুবার সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু ভাইরাল ভিডিয়োতে (Viral Video) ধরা পড়েছে। যে পোষ্য কুকুর কথা বলতে পারে না, প্রিয় বন্ধুর সংস্পর্শে সেই ভাবুক হয়ে পড়ে, অনেক না বলা কথাই প্রকাশ করে দেয় এক লহমায়। ইন্টারনেটে ফের এমনই একটা ভিডিয়ো ধরা পড়েছে, যেখানে দেখা গিয়েছে মা রান্নাঘরে (Kitchen) থাকার সময় তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছে পোষ্য গোল্ডেন রিট্রিভার (Golden Retriever)। মা রান্না করে চলেছেন, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে সে। না, খাবারের জন্য নয়। তার একটাই উদ্দেশ্য, মাকে সঙ্গ দেওয়া। সেই ইনস্টাগ্রাম ভিডিয়ো খুবই ভাইরাল হয়েছে।
View this post on Instagram
ভিডিয়োর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “প্রথমে আমাদের মনে হত যে, ও কেবল খাবারের জন্য রান্নাঘরের বাইরে বসে থাকে। কিন্তু দিনে দিনে ও যত বড় হতে থাকল, আমি বুঝতে পারলাম কেবল সঙ্গ দিতেই এখানে বসে থাকে সে। সব সময়ই আমার পাশে থাকে ও। আমি যতক্ষণ না ওকে ডাকছি, ততক্ষণ রান্নাঘরের গণ্ডিটা টপকায় না। আমার মিষ্টি ছেলেটা।”
আদুরে এই গোল্ডেন রিট্রিভার কুকুরটির নাম ওরিও। ইনস্টাগ্রামে তার নামে একটি ডেডিকেটেড পেজও রয়েছে, যেখানে নিয়মিত ওরিওর নানাবিধ মজাদার কার্যকলাপের ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়। শুধু তাই নয়। ওরিওর ইনস্টাগ্রাম পেজটির ইউজ়ার সংখ্যাও বিরাট, ১৬,৫০০ জন ফলো করেন তাকে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এই ভিডিয়োটি গত ২২ জুলাই ইনস্টাগ্রামে আপলোড করা হয় ওরিও পেজ থেকে। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত এই ভিডিয়োর ভিউয়ার প্রায় ৩ লাখের কাছাকাছি।
ভিডিয়োতে দেখা গেল, মা আপনমনে রান্না করছেন। আর এমনই সময়ে রান্নাঘরের সামনে এসে হাজির আদরের ওরিও। তাকে দেখা মাত্রই মা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। একাকীত্ব অবস্থাটা যে ওরিও কীভাবে মুহূর্তে কাটিয়ে দিতে পারে, তা ভেবেই আহ্লাদে আটখানা হয়ে যান তিনি! ওরিওর সঙ্গে হাই ফাইভ করেন, আদুরে চুম্বনও দেন তাকে।
নেটিজ়েনদের এই ভিডিয়ো একবারে মনপসন্দ হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে এক ইউজার এই ভিডিয়ো দেখে লিখছেন, “খুব মিষ্টি এই কুকুরটা। ওকে যতরকম ভাবে আদর করতে পারেন, করুন।” আর একজন লিখলেন, “আমাদের এরকম একটা বিড়াল রয়েছে। ও আমার মায়ের সঙ্গে এরকম করে। মা যখন রান্না করে, রান্নাঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকরে বিড়ালটা। যখনই আমার মা ঘুমোতে দেরি করেন, তখনই ও মিউ মিউ করে মাকে ঘুমোতে যাওরা নির্দেশ দেয়। কখনও আমার সত্যিই ওকে আমাদের বোন মনে হয়।” তৃতীয় একজন জ়ুড়লেন, “মায়ের সবথেকে ভাল কোম্পানি। ওর মুখটা একবার দেখুন। মা যখন রান্না করে ও তখন বেশ আনন্দও পায়।”