AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Anandapur Fire: ‘এত তাড়াতাড়ি সব শেষ হয়ে যাবে…’, উঠোন জুড়ে কান্নার রোল, ওরা কি আদৌ বেঁছে আছে?

পরিবারের হাল ধরতেই কেউ স্ত্রীকে, কেউ বাবা-মাকে, কেউ ছোট সন্তানকে বাড়িতে রেখে রোজগারের জন্য কাজে গিয়েছিলেন। আজ সেই পরিবারের উঠোনে শুধু অপেক্ষা আর বুকফাটা কান্না। ঘটনার খবর পৌঁছনোর পর থেকেই মালিগেড়িয়া এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

Anandapur Fire: 'এত তাড়াতাড়ি সব শেষ হয়ে যাবে...', উঠোন জুড়ে কান্নার রোল, ওরা কি আদৌ বেঁছে আছে?
তিন যুবকের খোঁজ নেইImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 27, 2026 | 3:45 PM
Share

মেদিনীপুর: বিয়েবাড়ি সাজানো সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ফুলের কাজ করতে অনেকেই মেদিনীপুর থেকে আসেন কলকাতায়। আনন্দপুরের ওই অভিশপ্ত গোডাউনে সেই রাতে এমন অনেকেই ছিলেন। একই গ্রামে এমনই তিন যুবকের পরিবারে এখন কান্নার রোল। ওরা জীবিত না মৃত, সেই খবরই নেই। কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না তাঁদের সঙ্গে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার তিন যুবক অনুপ প্রধান, কৃষ্ণেন্দু ধাড়া ও বিশ্বজিৎ সাউ ফুলের কাজ করতে বাড়ি ছেড়ে কলকাতায় এসেছিলেন। ঘটনার প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কোনও খোঁজ না পেয়ে পরিবার ধরেই নিচ্ছে, ওরা আর নেই!

পিংলা থানার মালিগেড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ওই তিন যুবক। ফুলের কাজ করতেই কলকাতায় গিয়েছিলেন তাঁরা। অনুপ প্রধানের দিদি বলছেন, “কোনও ইলেকট্রিকের কাজও করত না যে আশঙ্কা থাকবে। এভাবে, এত তাড়াতাড়ি চলে যেতে হবে ভাইকে, ভাবতেও পারিনি।”

পরিবারের হাল ধরতেই কেউ স্ত্রীকে, কেউ বাবা-মাকে, কেউ ছোট সন্তানকে বাড়িতে রেখে রোজগারের জন্য কাজে গিয়েছিলেন। আজ সেই পরিবারের উঠোনে শুধু অপেক্ষা আর বুকফাটা কান্না। ঘটনার খবর পৌঁছনোর পর থেকেই মালিগেড়িয়া এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একের পর এক পরিবার ভেঙে পড়ছে দুশ্চিন্তায়। কোথায় আছে তাঁদের ছেলে, আদৌ বেঁচে আছে কি না, সেই প্রশ্নই তাড়া করে ফিরছে সবাইকে।

বাড়ির জানালায় বসে অপেক্ষা করছে সন্তান, উঠোনে বসে আছেন মা। প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীরাও চোখের জল ধরে রাখতে পারছেন না। অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধারকাজ চললেও এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ তিন যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। গ্রামের আরও অনেকে এই কাজ করতে কলকাতায় এসেছিলেন বলেও জানিয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।