AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Balurghat: জাল লটারি, কমিশন অনেক! প্রতারণার আরও এক নয়া ফাঁদ

Balurghat: লটারি ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগেও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ লক্ষেরও বেশি ডিয়ার লটারির টিকিট বিক্রি হত, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। জেলা জুড়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার লটারি টিকিট বিক্রেতা রয়েছেন। এর মধ্যে বালুরঘাটে প্রায় ১ হাজার এবং গঙ্গারামপুরে প্রায় ৬০০ জন ব্যবসায়ী এই পেশার সঙ্গে যুক্ত।

Balurghat: জাল লটারি, কমিশন অনেক! প্রতারণার আরও এক নয়া ফাঁদ
লটারি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 13, 2026 | 11:46 PM
Share

গঙ্গারামপুর: আসল ও নকল একনজরে পার্থক্য করা প্রায় অসম্ভব। আসল ডিয়ার লটারির টিকিটের পাশেই অবাধে বিক্রি হচ্ছে জাল টিকিট। আর নকল টিকিট বিক্রি করেই বেশি কমিশন মেলায় অনেক সেলার সেই দিকেই ঝুঁকছেন বলে অভিযোগ। এর জেরে ক্ষতির মুখে পড়ছেন সরকারকে রাজস্ব দেওয়া লটারি ব্যবসায়ীরা। এর পাশাপাশি কমছে সরকারের রাজস্বও। এমন পরিস্থিতির প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে গঙ্গারামপুরের লটারি ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল বালুরঘাটে গিয়ে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানায়। তাঁদের দাবি, এর আগেও গত জানুয়ারি মাসে গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও জাল লটারি বিক্রি বন্ধে তেমন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এদিকে এনিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

লটারি ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগেও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ লক্ষেরও বেশি ডিয়ার লটারির টিকিট বিক্রি হত, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। জেলা জুড়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার লটারি টিকিট বিক্রেতা রয়েছেন। এর মধ্যে বালুরঘাটে প্রায় ১ হাজার এবং গঙ্গারামপুরে প্রায় ৬০০ জন ব্যবসায়ী এই পেশার সঙ্গে যুক্ত।

অভিযোগ, গত দুই মাস ধরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মধ্যে গঙ্গারামপুর মহকুমাতেই সবচেয়ে বেশি জাল লটারির টিকিট বিক্রি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে বৈধ টিকিটের বিক্রিতেও। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৮ থেকে ১০ লক্ষ টিকিট বিক্রি হচ্ছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। লটারি ব্যবসায়ীদের দাবি, মদের পর ডিয়ার লটারিই সরকারের অন্যতম বড় রাজস্বের উৎস। কিন্তু জাল টিকিটের দাপটে বৈধ টিকিটের বিক্রি কমে যাওয়ায় সরকারের আয়েও প্রভাব পড়ছে।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, জাল লটারির টিকিটে কেউ পুরস্কার পেলেও ডিয়ার লটারির মতো সেই পুরস্কার গ্রাহকদের দেওয়া হয় না। লটারি ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, প্রশাসনের কিছু অংশ এবং কিছু রাজনৈতিক নেতার মদত না থাকলে প্রকাশ্যে এভাবে জাল টিকিট বিক্রি করা সম্ভব নয়। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ প্রশাসন। লটারি ব্যবসায়ীদের দাবি, দ্রুত প্রশাসনের তরফে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে জাল লটারির টিকিট বিক্রি বন্ধ করতে হবে। যাতে বৈধ ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পান এবং সরকারের রাজস্বও সুরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল।

Follow Us