IPAC Director Arrest: তল্লাশির পর ল্যাপটপ থেকে দ্রুত সব তথ্য মুছে দেওয়ার নির্দেশ আইপ্যাক কর্তার? বড় দাবি ইডির
ED Raid: IPAC সংস্থার অর্থনৈতিক বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ভিনেশ। তাঁর সিদ্ধান্তেই '৫০ শতাংশ চেক' নীতি চালু হয়। অর্থাৎ সংস্থার কাজের ৫০ শতাংশ পেমেন্ট চেকে হত। বাকি টাকা নগদে আসত। ইডি জানতে পেরেছে, এই নগদ টাকার মধ্যেই রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি থেকে আসা টাকা, অন্যান্য হিসাব বহির্ভূত টাকা। সেই টাকাই পরবর্তীতে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে খাটানো হত বলে অভিযোগ ইডির।

কেন্দ্রীয় এজেন্সি সূত্রে খবর, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পরই সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের সঙ্গে কনফারেন্স কল করেন ধৃত IPAC ডিরেক্টর। অভিযোগ, তিনি নির্দেশ দেন ল্যাপটপ ও মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ই-মেইল মুছে দিতে। নিজের কাছে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ডিলিট করেন তিনি বলে দাবি ইডির। প্রমাণ লোপাট করতেই সব তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ ইডির আধিকারিকদের।
IPAC সংস্থার অর্থনৈতিক বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ভিনেশ। তাঁর সিদ্ধান্তেই ‘৫০ শতাংশ চেক’ নীতি চালু হয়। অর্থাৎ সংস্থার কাজের ৫০ শতাংশ পেমেন্ট চেকে হত। বাকি টাকা নগদে আসত। ইডি জানতে পেরেছে, এই নগদ টাকার মধ্যেই রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি থেকে আসা টাকা, অন্যান্য হিসাব বহির্ভূত টাকা। সেই টাকাই পরবর্তীতে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে খাটানো হত বলে অভিযোগ ইডির।
কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৯-২০২০ এবং ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে আইপ্যাক-এর অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা এসেছিল ‘রামসেতু ইনফ্রাস্টাকচার প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি সংস্থা থেকে। এটি কোনও ব্যাঙ্ক বা NBFC সংস্থা না। তারপরও কোনও চুক্তি ছাড়া সন্দেহজনকভাবে লোন দিয়েছিল। সেইখানেই তদন্তকারীদের বক্তব্য, এই রামসেতুর সংস্থার মধ্য দিয়েই হাওলার টাকা ঢুকিয়েছিল আইপ্যাক। এখানেই শেষ নয়, তদন্তকারীদের দাবি, ভিনেশ ও IPAC অন্য কর্মীদের বাড়িতে 2 এপ্রিল তল্লাশিতে যে নথি মিলেছে একই নথি মিলেছে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসেও। ফলত, সবটাই খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা সংস্থা।
