
বাঁকুড়া: উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সভা থেকে ফেরার পথে বিজেপি নেতা-কর্মীদের বাসে হামলার অভিযোগ। ভাঙচুর চালানো হল বাসের কাচে। ঘটনায় আহত হয়েছেন এক বিজেপি কর্মী। প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
বাঁকুড়ার সোনামুখী বিধানসভা এবং ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রের দুই বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে রবিবার পাত্রসায়ের গরু হাটতলায় জনসভা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বাস ও বিভিন্ন ছোট গাড়িতে চড়ে সেই সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন সোনামুখী ব্লক এলাকার বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বিজেপির অভিযোগ, সভা শেষে যখন বাসগুলি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে পাত্রসায়ের থেকে সোনামুখীর দিকে ফিরছিল সেইসময় ধানশিমলা রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় এসে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা একটি বাসের উপর হামলা চালায়। বাস লক্ষ্য করে যথেচ্ছ ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে বলে অভিযোগ। ইটের ঘায়ে একটি বাসের জানালার কাচ ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়। আহত হন এক বিজেপি কর্মী।
এরপর ওই বাসে থাকা অন্য বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা এবং আশপাশের বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ধানশিমলা এলাকায় বাঁকুড়া বর্ধমান রাজ্য সড়ক অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা হাতে বড় বড় বাঁশ ও লাঠি সোটা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয় এলাকায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছান সোনামুখী বিধানসভার বিজেপির প্রার্থী দিবাকর ঘরামী। তিনি কথা বলেন পুলিশের সঙ্গে। পরে পথ অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কল্লোল সাহার দাবি, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস যুক্ত নয়। বিজেপি মিথ্যা অপপ্রচার করছে। তৃণমূল কর্মীদের অন্যান্য কাজ আছে। তারা সেই কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে।”