Sujata-Soumitra: লম্পট, মাতাল, মেয়ে নিয়ে ফুর্তিবাজ- প্রাক্তন স্বামীকে ‘ধোলাই’ সুজাতার
Soumitra Khan: যদিও এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সৌমিত্র খাঁ কিছুই বলতে চাননি। শুধু বলেছেন, "ওটা কে বলেছে জানি না। আমি এসব কিছু জানি না।" জয়পুরের পর ময়নাপুরেও সেই একই 'ল়ড়াই' দেখা গিয়েছে। সৌমিত্র খাঁ যখন, হিংসা হলে তৃণমূল কর্মীদের চোখ উপড়ে নেওয়ার কথা বলছেন, তখনও সুজাতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, সাংসদ এটাই পারেন। তাই সাংসদ-স্বামীর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল তাঁকে।

বাঁকুড়া: বিষ্ণপুর লোকসভা কেন্দ্রে এবার ‘প্রাক্তন’-এর লড়াই। এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। তৃণমূল প্রার্থী করেছেসুজাতা মণ্ডলকে। এক সময় সুজাতা-সৌমিত্র বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। এখন যদিও তাঁরা বিবাহবিচ্ছিন্ন। তবে ভোট প্রচারের ময়দানে নেমে সুজাতার মুখে শোনা যাচ্ছে পুরনো সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথাও।
কিছুদিন আগেই জয়পুরে এক মঞ্চ থেকে সুজাতা সৌমিত্রকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনাদের এখানকার লম্পট, চরিত্রহীন, মাতাল, ধান্দাবাজ, মেয়ে নিয়ে পড়ে থাকা সাংসদ আবার টিকিট পেয়েছে।” এখানেই শেষ হয়। সেদিনই সভাস্থলে দাঁড়িয়ে কার্যত সাংসদকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে সুজাতা বলেন, “বিষ্ণুপুর লোকসভার একজন নাগরিক হিসাবে আমি তো সাংসদকে পাইনি। সাতটা বিধানসভায় কাজের জন্য ৫ বছরে ২৫ কোটি টাকা পান একজন সাংসদ। মিথ্যাবাদী লম্পটের দাবি, ১০ কোটি টাকার নাকি কাজ হয়েছে। আমি বলব কাজ কোথায় হয়েছে হিসাব দিন। বাকি ১৫ কোটি টাকা কোথায়? শুধু মহিলা নিয়ে ফূর্তি? মানুষ ঠকিয়ে সেই পয়সা নিয়ে বিলাসিতা? গাড়ি, বাড়ি, সম্পত্তি আর রক্ষিতা নিয়ে ফূর্তি মারা? আমার মুখ যেন না খোলায়।”
যদিও এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সৌমিত্র খাঁ কিছুই বলতে চাননি। শুধু বলেছেন, “ওটা কে বলেছে জানি না। আমি এসব কিছু জানি না।” জয়পুরের পর ময়নাপুরেও সেই একই ‘ল়ড়াই’ দেখা গিয়েছে। সৌমিত্র খাঁ যখন, হিংসা হলে তৃণমূল কর্মীদের চোখ উপড়ে নেওয়ার কথা বলছেন, তখনও সুজাতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, সাংসদ এটাই পারেন। তাই সাংসদ-স্বামীর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল তাঁকে।
